পোস্টগুলি

প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর

ছবি
  প্রতিরোধে বীর ভারত - সন্তান   তমোঘ্ন নস্কর     পঞ্চত্রিংশ পর্ব : আজমীরের যুদ্ধ (১১৩৫–১১৫০ সালের মধ্যবর্তী সময়)   যখন তারা এ নগরীর উপকণ্ঠে এসে পৌঁছোল তখন সূর্য মাথার উপর। তার উপর মরুময় পথ বেয়ে তাদের শরীরে আর বিন্দুমাত্র শক্তি অবশিষ্ট নেই। জলের ভিস্তিগুলো শুকিয়ে খটখটে, মায় কণ্ঠতালু অব্দি থাকলেও এতটুকু আর্দ্রতা উঠে আসছে না ৷             কয়েকটি আহত ঘোড়া অনেকক্ষণ ধরে ধুঁকছিল। এইবার পড়ে গিয়ে কয়েকবার খিঁচিয়ে স্থির হয়ে গেল। একেবারে ধারের দিকের ঘোড়াটি কাঁটাঝোপের উপর পড়েছিল, থরথর করে কাঁপছিল তার সামনের পা দুটো। সেই দিকে তাকিয়ে ছিল আবু বকর। হঠাৎ তার চোখ গেল ঘোড়াটার পেটের দিকে— কাঁটাঝোপে বিদীর্ণ হয়ে গেছে ঘোড়াটির পেট। সেখান থেকে রক্তধারা গড়িয়ে নামছে। নিজের ঠোঁটটা একবার চেটে নিল আবু বকর। রক্ত সে-ও তো জলের মতোই তরল। আর জল খেতে না পারলে পাগল হয়ে যাবে সে। তার চেয়ে...             হাঁটু মুড়ে বসে জিভ ঠেকাল সেই নোনতা তরলে... সবাই অবাক হয...

প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর

ছবি
প্রতিরোধে বীর ভারত - সন্তান   তমোঘ্ন নস্কর     চতুঃত্রিংশ পর্ব : দুর্গা যায় না বিসর্জন   সেপ্টেম্বরের রাত। বর্ষা এই সমুদ্রতীরস্থ অঞ্চলগুলিতে একটু বেশি দিন স্থায়ী হয়। চট্টগ্রামের আকাশেও আজ ঘন মেঘের আনাগোনা, যেন কোনও এক আসন্ন প্রলয়ের সংকেত দিচ্ছে প্রকৃতি।              ধ লঘাটের অনুশীলন ক্যাম্পের এক কোণে প্রদীপ জ্বলছে ধিকিধিকি। প্রীতিলতা আয়নার সামনে দাঁড়ালেন। মায়ের কথা, বাবার কথা, পরিবারের কথা একবারের জন্যও মনে পড়ে কি ? হ্যাঁ , মনে তো নিশ্চয়ই পড়ে। কিন্তু আজ তিনি আর কেবলমাত্র স্কুলশিক্ষিকা নন কিংবা বাবার আদরের দুলালি নন। আজ তিনি এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধা, যিনি দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য বলিপ্রদত্ত । পরনে চোস্তা আর পাঞ্জাবি, পাঞ্জাবি সাজে নিজেকেই যেন চিনতে পারলেন না প্রীতিলতা। একটি লম্বা শ্বাস নিয়ে দৃপ্ত ঋজু পদে এসে দাঁড়ালেন শিক্ষকের সামনে। মাথার লম্বা চুলগুলো পাগড়ির নীচে লুকিয়ে রাখতে রাখতে বিড়বিড় করে বলেছিলেন কিছু। তা আমাদের জানার উপায় নেই। সেই শিক্ষক মানে মাস্টারদা সূর্য সেন এইবার ছাত্রীর পাশে এসে দ...