পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শ্যামা মা কি আমার কালো - বাসুদেব ঘোষ

ছবি
  শ্যামা মা কি আমার কালো বাসুদেব ঘোষ মাইকে বাজছে, “ ওরে নবমী নিশি, না হইও রে অবসান। ” নিশি পোহালে দশমী। দেবীপ্রতিমার ভাসান হয়ে যাবে। বড়ো দুঃসহ বেদনা প্রাণের মাঝে। বুকটা কেমন হু হু করে, খালি খালি লাগে সব। খাঁ খাঁ করে নাটমন্দির। মা যখন ছিলেন, আটনে কী যে অপূর্ব শোভা! ঘরে ফিরতে ইচ্ছে করত না। দিনরাত আটচালাতেই পড়ে থাকা। খেলা আর খেলা। সমবয়সি বয়স্যরা, কাছে কাছে। সবারই একই অবস্থা। মণ্ডপ ছেড়ে কেউ আর বাড়ি যেতে চায় না। এদিকে পুঁটির মা ডেকেই চলেছে, “ আয় মা, একবার। সেই কখন সকালে দু ’ টি চা-মুড়ি খেয়ে বেরিয়েছিস। চারটি খেয়ে নিয়ে আবার খেলগে। ” কে শোনে কার কথা! পুঁটি তখন মত্ত গভীর তত্ত্ব-আলোচনায়। বিষাদের সুর তার কথায়, “ আজ তো নবমী। কালকেই যে মায়ের যাত্রা। মা আর থাকবেন না আমাদের মাঝে। ” শ্যামার চোখ লাল হয়ে ওঠে। রক্তাভ নয়নযুগলে উপচে পড়ে অশ্রু। অব্যক্ত যন্ত্রণায় ফুলে ফুলে ওঠে সে। কাঁদতে পারে না। সে শুনেছে, কাল সকালেই নাকি হবে শুভযাত্রা। সংসারের মঙ্গলকামনায় একটি মুদ্রায় মায়ের পায়ের সিঁদুর ঠেকিয়ে লক্ষ্মীর কাছে রাখা। তারপর নীলকণ্ঠ পাখি উড়িয়ে দেওয়া হবে। সেই পাখি গিয়ে কৈলাসে খবর দেবে, “ আশুতোষ মহে...