প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর
প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান
তমোঘ্ন নস্কর
ত্রয়োবিংশ পর্ব: ভবানী
বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ দাঁড়িয়ে আছেন গঙ্গার ঘাটে।
ভরা জোয়ারের বিক্ষুব্ধ তরঙ্গ এসে চাপড় মারছে ধাপে। বিক্ষোভ ধাক্কা মারছে বৃদ্ধের
বক্ষেও। চোখ কুঁচকে দৃষ্টি প্রসারিত করলেন তিনি। দূরে টিমটিমে আলো দেখা যায়... নৌকা।
বৃদ্ধের হাতের মুষ্টি শক্ত হল তাঁর ত্রিশূলের ওপর...
***
গড়-জঙ্গলের ভাঙা মাঠ দিয়ে প্রাণভয়ে
ছুটে চলেছে মেয়েটি। তার কানে এখনও বাজছে মায়ের সেই মারণ আর্তনাদ। তাকে আর্তনাদ বলা
ভুল, সে-আওয়াজ যন্ত্রণাদগ্ধ শলাকার মতো কুরে চলেছে তাকে। চোখ বুজলেই ভাসছে সেই দৃশ্য,
তার লাঙলের ফালটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মা। কেউ তাকে এড়িয়ে যেতে পারছে না। শেষে জমিদার
এসে মশালটা নিয়ে... ওফ্... আচ্ছা, শেষ মুহূর্তে তার মা কি তাকে খুঁজেছিল? না পুকুর
খুঁজেছিল ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য...?
ভাবতেই
ভাবতেই মাটির ঢেলায় হোঁচট খেয়ে সপাটে আছড়ে পরল মেয়েটা। হাঁচোড়পাঁচোড় করে মাটির
উপর দিয়ে বুক ঘষে এগিয়ে যেতে চাইল পথটুকু। পিছনে স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে জমিদারের
লোকজনের আওয়াজ।
***
জ্ঞান হারাতে হারাতে উমা বুঝতে পারল,
বুকের তলায় মাটি কাঁপছে! হ্যাঁ, থরথরিয়ে মাটি কেঁপে উঠছে চারদিকে। তবে কি ভূমিকম্প...?
স্বস্তির
নিঃশ্বাস ফেলে নিজের শরীরটাকে মাটির উপরে এলিয়ে দিল সে। হ্যাঁ, ভূমিকম্পই হবে হয়তো...
পাতাল গ্রাস করুক তাকে এই অপমানের অন্যায় থেকে। যেমন করে তার মা সীতাকে বাঁচিয়েছিল।
এই চষা হালখেত, এই মাটি, এই ধরণী— সবাই তাকে জানকীর মতো খেয়ে নিক। সব মেয়েকেই খেয়ে
নিক।
উমা
আর তার মা দরিদ্র কৃষক পরিবারের ভাগ্যহত। বাবা জমিদারের দাদন গুনতে গিয়ে নিঃস্ব হয়েছে।
জমিদারের লোক তাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল পরশু রাতে। তিনি আর ফেরত আসেননি। তার মা কাঁদেনি
বরং শক্ত হয়ে বাড়ি আগলেছিল। এই গ্রামে কেঁদে কোনও লাভ নেই। যে যায় সে আর ফেরে না।
মা
পাহারায় ছিল, তবুও শেষ রাতে কীভাবে যেন ঘুমিয়ে পড়েছিল। ঘুম ভেঙেছিল জমিদারের পোষা
নেকড়েদের খ্যাঁকানিতে। বুঝতে বাকি থাকেনি তারা কী চায়? এই গ্রামের কত অসহায় তরুণী,
বিধবা, বধূ যে ওই নেকড়েদের শিকার হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই...!
কিন্তু
তার মা ছাড়ার পাত্রী নয়৷ মস্ত লাঙলখানা ধরে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
আর তাকে পার করিয়ে দিয়েছিল পিছন দিয়ে। শেষবার যখন মাঠ থেকে দেখেছিল, একখানা অগ্নিপিণ্ড
খাবি খাচ্ছে তাদের উঠানে... মা তার মা! জ্ঞান হারাল উমা।
ভূমিকম্প
নয়, ধুলোর ঝড় তুলে মাটি কাঁপিয়ে এসে দাঁড়াল চল্লিশটি ঘোড়া।
***
মুখের উপর ভিজে কিছু স্পর্শে জ্ঞান ফিরল
উমার। ধড়মড় করে উঠে বসেই ঘাবড়ে গেল, এ কারা! এরা কী জমিদারের লোক! হ্যাঁ, চেহারা তো
তেমনই... তাড়াতাড়ি নিজের ছেঁড়া কাপড় দিয়ে নিজের গা ঢাকল। মানুষগুলো সসম্ভ্রমে
সরে গিয়ে নিজেদের মাথা নিচু করে নিল যেন তারা তাদের মা-কে দেখছে। ভারী কান্না পেল
উমার, এত সম্মান... গত তিনদিনে জমিদারের লোক বারবার এসেছে আর বারবার নিজেকে তাদের সম্মুখে
খাদ্যদ্রব্য ভিন্ন আর-কিছু অনুভব হয়নি।
মানুষগুলো
মশালগুলোকে মাঠের মধ্যে পুঁতে দিল। সেই আলোয় আলোকিত হল চতুর্দিক। আঁতকে উঠল উমা, এ
কী ভয়াবহ দৃশ্য! চতুর্দিকে ছড়িয়ে রয়েছে খণ্ডবিখণ্ড টুকরো-টুকরো দেহ। এ কাদের পাল্লায়
পড়ল সে...!
ভয়ে
চিৎকার দিয়ে উঠে আবার পালাতে যেতেই এগিয়ে এল এক দীর্ঘদেহী নারী মূর্তি। গায়ের রং
তারই মত মাজা। হাতে শানিত তরবারি, তা থেকে তখনও টপে পড়ছে রক্ত। তিনি এসে হাঁটু মুড়ে
বসলেন তার পাশে। বললেন, “বোন, ভয় নেই।”
কোনওমতে নিজের
সবটুকু সাহস জোগাড় করে কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞাসা করল উমা, “তুমি কে?”
নারী
বললেন, “আমি তোমার দিদি। এই চৌধুরীদের অপয়া বউ— চৌধুরীদিদি...! আর ওই যে ওই মানুষটা,”
দূরে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের দিকে আঙুল দেখালেন— ত্রিশূলধারী সেই বৃদ্ধ দাঁড়িয়েছিলেন দূরে,
স্মিত হাস্য করলেন নারী, বললেন, “উনি আমাদের সবার বাবা, শ্রী ভবানী ঠাকুর।”
***
‘ওম্ করালবদনাং ঘোরাং…’
মেঘমন্দ্রিত
কণ্ঠের সেই মন্ত্র পাঠ শেষ হল। অন্ধকার থেকে আলোয় বেরিয়ে এলেন সেই দীর্ঘদেহী ব্রাহ্মণ
সন্ন্যাসী। তার চোখগুলো ধক ধক করছে প্রতিজ্ঞার আর স্পৃহার আগুনে। ডাক দিলেন, “উমা…!”
উমা
এসে দাঁড়াল। গত একমাস ধরে সে ব্রাহ্মণ আর দিদির কাছেই রয়েছে। ব্রাহ্মণই তার মায়ের
শ্রাদ্ধাদি কর্ম করিয়েছেন তাকে দিয়ে। আরও অনেক পরিবর্তন ঘটেছে তার…।
“কই হাতখানা
বাড়া দেখি…।”
নিজের
হাতখানা বাড়িয়ে দেয় উমা। কিশোরীর সেই নরম হাতের পাতা আর নেই। তার সেই পেলবতা উধাও
হয়ে গিয়ে সেখানে এখন স্থান নিয়েছে কাঠিন্য। জায়গায় জায়গায় কড়া পড়ে শক্ত হয়ে
রয়েছে। একমাস ধরে ক্রমাগত অসি চালনা, ছুরি চালনা, লাঠিখেলা ও যুযুৎসু-র প্যাঁচের প্রশিক্ষণ
নিয়েছে।
বৃদ্ধ
একখানি লম্বা ছুরি বের করে উমার হাতের তালু আড়াআড়ি চিরে দিলেন। না, তাতে বিন্দুমাত্র
বিকৃত হল না উমার মুখ। আগে হলে হয়তো কেঁদেই মরে যেত কিন্তু এখন সে একদৃষ্টে তাকিয়ে
রয়েছে সেই করালবদনা ভীষণ মাতৃমূর্তির দিকে।
ব্রাহ্মণ
পাতায় করে রক্ত নিয়ে উৎসর্গ করলেন মাকে, “মা গো, মেয়ের এই উৎসর্গ গ্রহণ করো, শক্তি
দাও।”
সমবেত
জনগণ একসঙ্গে বলে উঠল, “শক্তি দাও শক্তি দাও।”
বৃদ্ধ
বললেন, “তোমরাই মা। তোমাদের ভিতরে শক্তিকে ধারণ করো। তাঁকে আহ্বান করো। যুদ্ধের প্রাঙ্গণে
মা-ই পরম যোদ্ধা। আমরা তোমাদের বাধ্য শিবাকুল, তোমাদের সৈনিক। বাহুতে মোদের মা শক্তি,
অন্তরে মোদের মা ভক্তি, লক্ষ্য মোদের মায়ের মুক্তি…
জয় মা… জয় ভবানী।”
***
অবাক হয়ে লক্ষ করছিলেন কোম্পানির দলনায়ক
কুকার। একজন সন্ন্যাসী, তাঁর এত তেজ! এই নৌকা থেকে ওই নৌকা লাফিয়ে চলেছেন তিনি!
অথচ
এই দেশে এসে ইস্তক তাঁরা দেখেছেন সাধু-সন্ন্যাসী মানে তাঁরা মূর্তি পূজা করেন। ঘণ্টার
পর ঘণ্টা চোখ বুজে ধ্যান করেন। বাড়ি বাড়ি ভিক্ষা করে নিজের দিন চালান। শুনেছে, এঁদের
নাকি প্রচুর দয়ামায়া। কাউকে মারা তো দূর, বকাঝকাও করেন না। সকলের দুঃখ-দুর্দশা দূর
করার জন্যই নাকি তাঁরা সন্ন্যাসী হন! তা হলে, এ কেমন সন্ন্যাসী!
ভাবতে
ভাবতেই কুকার সাহেবের কান ঘেঁষে চলে গেল সন্ন্যাসীর তীর! শিউরে উঠলেন কুকার… আর ইঞ্চি-পরিমাণ এদিক-ওদিক হলেই আজকে তিনি শেষ ছিলেন।
এই
আন্দোলনকে স্তিমিত করতে গেলে সন্ন্যাসীর মৃত্যু প্রয়োজন। হুকুম দিলেন, “তো...ও...প
চা...লা...ও।”
***
জীবন্ত কিংবদন্তি বললেও কম বলা হয় তাঁকে,
কারও কাছে তিনি ডাকাত, আবার কারও কাছে তিনি সন্ন্যাসী, আবার কেউ বলে— তিনিই ভারতভূমির
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম কণ্ঠস্বর। অথচ এই তিনিই তান্ত্রিক সাধক, যিনি প্রতিষ্ঠা করে
গেছেন বহু কালীমন্দির।
হ্যাঁ,
ঠিকই ধরেছেন। তিনি সন্ন্যাসী-বিদ্রোহের প্রধান নেতা। তিনি অত্যাচারী ইংরেজ সরকার ও
তাদের কার্যকরী দেশীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছিলেন সশস্ত্র সংগ্রাম। তিনি ভবানীচরণ
পাঠক।
তাঁর
প্রাথমিক জীবন সম্বন্ধে বিশেষ তথ্য পাওয়া যায় না। ভাষ্যমতে তিনি পুণ্ড্রবর্ধনের বরেন্দ্র
ব্রাহ্মণ-সম্প্রদায়ের একজন শাক্ত তন্ত্রসাধক ছিলেন। তাঁদের বংশানুক্রম যাজক ও পুরোহিতের
বংশ।
ইংরেজ
লেখক গ্লেজিয়ারের ‘রংপুর জেলা গেজেটিয়ার্স’-এ রংপুর জেলার বাজপুর এলাকার বাসিন্দা
হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বরেন্দ্রভূমিতে
বরাবরই মা শক্তি বীরভাবে প্রসন্না। বরেন্দ্রভূমি বীরভূমি, দিব্য থেকে বেণি রায়— বীরের
অভাব নেই এই ভূমিতে। আগের পর্বেই আমরা ব্রাহ্মণ পণ্ডিত বেণিমাধব রায়ের কথা বলেছি। ভবানী
পাঠকও তাঁর পূর্বসূরী বরেন্দ্রভূমির আর-এক ব্রাহ্মণ বীর বেণি রায়ের পথ অবলম্বন করেন।
সন্ন্যাস
পথে তিনি দশনামী নাগা সন্ন্যাসীদের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন বলেও কিছু জায়গায় উল্লেখ
পাওয়া যায়। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যমে দশনামী ও গিরি সম্প্রদায়ের সশস্ত্র সন্ন্যাসীদের
সঙ্গে সাধারণ যুবক-যুবতীদের একত্রিত করেন তিনি৷
তাঁদের অস্ত্রশিক্ষায় সুশিক্ষিত করে একটি সশস্ত্র যোদ্ধা-বাহিনী গড়ে তোলেন। তাঁর অন্যতম
প্রধান শিষ্যা ছিলেন দেবী চৌধুরাণী।
ব্রিটিশদের
বিরুদ্ধে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের স্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়ে তাকে দাবানলে পরিণত করে পুণ্ড্রবর্ধনের
মূল অঞ্চল রংপুর, মহাস্থানগড়, নাটোর, দিনাজপুর, মালদহ, কোচবিহার এবং ময়মনসিংহ থেকে
শুরু করে দুর্গাপুর এবং রাঢ়বাংলার বীরভূম ও মেদিনীপুরের মতো পাহাড়ি জঙ্গলে তা ছড়িয়ে
দেন। ঢাকা জেলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে তাঁর দলবল।
তিনি
হয়ে উঠেছিলেন সন্ন্যাসী-ডাকাত, গরিবের ত্রাতা আর অত্যাচারীদের কাছে স্বয়ং যমদূত। গেরিলা
যুদ্ধে তাঁর দক্ষতা ছিল প্রশ্নাতীত। শুধু তাই নয়, জালের মতো বিস্তৃত নদীপথ আমাদের এ
বঙ্গদেশে। তাই নিজেদেরকে নৌযুদ্ধে যথেষ্ট পারদর্শী করে তোলেন তিনি।
লুটপাট
করে আনা বজরা ও নৌকাগুলিকে সংস্কার করে তাঁরা বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন। মুখোমুখি
একাধিক নৌ-সংঘর্ষের কথাও জানা যায়।
অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে প্রায়
দুই দশক ভবানী পাঠক সন্ন্যাসী বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেন। ময়মনসিংহ ও ঘোড়াঘাটে তাঁর নেতৃত্বে
সন্ন্যাসীরা ব্রিটিশদের পরাজিত করে।
অষ্টাদশ
শতাব্দীর শেষ দশকে এক সম্মুখযুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর গোলার আঘাতে তিনি বীরগতি প্রাপ্ত
হন বলে জানা যায়। তাঁর মৃত্যুর পর দেবী চৌধুরাণী এই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন।
ভবানী
পাঠক ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম সেনাপতি, তাঁর প্রতিষ্ঠিত কালীবাড়ি রয়েছে
মালদা জেলায়, যা মানুষের কাছে ‘গোবরজনা কালীবাড়ি’ নামে প্রসিদ্ধ। এছাড়াও দুর্গাপুর
শহরের একটি কালীবাড়ি তাঁর প্রতিষ্ঠিত এবং এই অঞ্চলের কিছু গুহা ও সুড়ঙ্গ দিয়ে তাঁরা
যাতায়াত করতেন বলে জানা যায়।
বড়ো
আশ্চর্য লাগে একজন এত বড়ো বীরের গাথাকে আমরা কিংবদন্তি এবং লোককথার পর্যায়েই আটকে
রেখেছি। সত্যতা-অসত্যতা যাচাই করার জন্য ইতিহাসের উপাদান বড়ো কম। আসলে, সংরক্ষণই করা
হয়নি। এই সমস্ত মানুষের কথা আমরা যত ভুলে যাব, জাতি হিসাবে ততই আমাদের লজ্জা। তিতুমির,
প্রতাপাদিত্য, ঈশা খাঁ-র পাশাপাশি সুবুদ্ধি রায়, বীর হাম্বির, ভবানী পাঠক, বেণি রায়দের
স্মরণ করুক আপামর সাধারণ। এটুকুই চাওয়া। তাই, আমাদের সামান্য এই প্রয়াস।
বন্দেমাতরম্।
তথ্য ঋণ ও বিশেষ সহযোগিতা— বিশিষ্ট বাংলা গবেষক শ্রী সৌম্যদীপ
ব্যানার্জী।
___________________________________________________________________________
প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান ধারাবাহিকটির আগের পর্বগুলি পড়ুন:
প্রথম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post.html
দ্বিতীয় পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_13.html
তৃতীয় পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_20.html
চতুর্থ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html
পঞ্চম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html
ষষ্ঠ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post.html
সপ্তম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_12.html
অষ্টম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_19.html
নবম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html
দশম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html
একাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_88.html
দ্বাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_15.html
ত্রয়োদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_24.html
চতুর্দশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_30.html
পঞ্চদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post.html
ষোড়শ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_13.html
সপ্তদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_20.html
অষ্টাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_11.html
ঊনবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_25.html
বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post.html
একবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_8.html
দ্বাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_16.html

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন