প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর

 

প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান

 

তমোঘ্ন নস্কর

 

 

দ্বাত্রিংশ পর্ব: বীরাঙ্গণে বীরাঙ্গণা

 

 

নুরানাঙের জলপ্রপাতের আওয়াজ স্পষ্ট কানে আসছে তাঁর। রাত যখন গভীর হয় নিস্তব্ধ হয় চরাচর তখন রাত্রির আওয়াজ ছাপিয়ে তার আওয়াজ কানে আসে। যুবতীর মতো উচ্ছল জলপ্রপাত কলকলিয়ে হাসে

জসওয়ন্ত সিং রাওয়াত নিজের পেটের ক্ষতটার উপর আর-এক প্রস্থ পট্টি বাঁধেন। রক্ত পড়া একটু কমে আসে। কিন্তু জ্বালা কম হয় না কারণ এই জ্বালা তাঁর ক্ষতস্থানের জ্বালা নয়। এ জ্বালা নিজের দেশকে রক্ষা করতে না পারার জ্বালা।

খিদেও পেয়েছে প্রচণ্ড। এইভাবে কতক্ষণ নিজেকে আটকে রাখবেন তিনি? কিন্তু চীনের ওই মস্ত প্লাটুনকে রিইনফোর্সমেন্ট না আসা অব্দি আটকে রাখতেই হবে। মেশিনগানের ট্রিগারে আঙুল রাখেন তিনি। র‍্যাট র‍্যাট র‍্যাট রাতের নীরবতা ছিন্ন হয় মেশিনগানের শব্দে। উল্টো দিক থেকে প্রত্যুত্তর আসে। এই পারে বামদিকের মেশিনগান থেকে আবার গুলি ছুড়ে জবাব দেওয়া হয়। চীনা প্লাটুন নীচে বসে ভাবে, ‘খবর ছিল অতি ক্ষুদ্র এক সেনা-টুকরি আছে এখানে। তা হলে এতগুলো বাংকার থেকে গুলি আসছে কীভাবে?’

এই ঘন অন্ধকারে জঙ্গলময় পাহাড় চড়ার চেয়ে নীচে অবস্থান করাই তারা ঠিক মনে করল।

 

***

 

বাবা তেড়ে আসেন মেয়ের দিকে, মা হাউমাউ করে কান্না জুড়ে দেন— এ কী অলক্ষুনে কথা বলছে তাঁর মেয়ে! কিন্তু মেয়ে অনড়। যেভাবেই হোক। তাকে এ কাজ করতেই হবে।

মেয়ের জেদ দেখে বাবা দিব্যি দিতে যান মেয়েকে। কিন্তু মেয়ে প্রত্যাখ্যান করে। সে যেটা ভেবে নিয়েছে সেটা সে করবেই। আজকে রাত্রে উপরে সে উঠবেই।

 

চীনা লাইনে অতন্দ্র প্রহরীর চোখ এড়িয়ে জঙ্গলের সুড়ঙ্গ পথ বেয়ে দুই মেয়ে নুরা আর সেলা উঠে যায় উপরে। প্রথম বাংকার, দ্বিতীয় বাংকার— আশ্চর্য হয় তারা। একটিও ভারতীয় সৈনিক নেই। তা হলে গুলি চালাচ্ছিল কে? এই তো খানিক আগেও গুলি চলেছে। হিমকাতর আর্তনাদ ভেসে আসে একেবারে দূরতম বাংকারটি থেকে। বিড়ালের মতো শান্ত লঘু পদে এগিয়ে যায় দু’টি মেয়ে। ভারতীয় সৈন্যকে তারা অবিশ্বাস করে না। তারা তাদের দেশের লোক। তারা তাদেরকে বোন বলেই জ্ঞান করে। কিন্তু এই চীনারা দু’দিন এসেছে মাত্র তাতেই তাদের গৃহপালিত জানোয়ারগুলোকে মেরে সাবাড় করেছে। আর গ্রামের সবচেয়ে সুন্দরী দুই মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়েছে তারা। গ্রামবাসীরা অসহায়ের মতো মুখ বুজে দেখে গেছে শুধু কিন্তু আর নয়।

 

প্রেক্ষাপট

 

এক অশুভ মেঘের মতো ১৯৬২ সালের শরতের আকাশে ভারত-চীন সংঘর্ষের ছায়া নেমে এল। হিমালয়ের উচ্চশিখরে সীমান্তের রেখা দীর্ঘদিন ধরে অস্পষ্ট ছিল— ব্রিটিশ আমলের ম্যাকমোহন লাইনের ছায়া এবং চীনের দাবির জটিল জালে জড়িয়ে। নেহরুর নেতৃত্বাধীন ভারত স্বাধীনতার পরপরই এই সীমান্তকে অক্ষুণ্ণ বলে ঘোষণা করল, কিন্তু চীনের কমিউনিস্ট নেতা মাও-সে-তুং এটিকে অগ্রহণযোগ্য মনে করলেন। ব্যস, দ্বন্দ্বের শুরু সেখান থেকেই।

 ১৯৫০-এর দশকে তিব্বত দখলের পর চীনা সেনা দুই দিক দিয়ে অগ্রসর হল— অরুণাচলের পাহাড় এবং লাদাখের উপত্যকা।

অজুহাত ভারতের ‘ফরওয়ার্ড পলিসি’ অর্থাৎ সীমান্তে ছোটো ছোটো পোস্ট গড়ে তোলা— চীনের চোখে এইটা ছিল প্ররোচনা। এর থেকে রাজনৈতিক উত্তেজনা। তবুও পঞ্চশীল পরিকল্পনার জন্য তারা থমকে ছিল। কিন্তু ১৯৫৪ সালের পঞ্চশীল চুক্তি ভেঙে পড়ল ১৯৫৯-এ তিব্বতের দলাই লামার ভারতে পলায়নের সঙ্গে।

চীনা প্রধানমন্ত্রী চৌ এন-লাইয়ের সঙ্গে নেহরুর বৈঠক ব্যর্থ হল, সীমান্তে ছোটোখাটো সংঘর্ষ শুরু হল। ভারতের অর্থনৈতিক দুর্বলতা, সামরিক প্রস্তুতির অভাব এবং আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা এই যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল। ভারতের দুর্বলতাকে বুঝতে পেরেছিল চীন। বুঝেছিল এই সময় আঘাত হানলে অতি সহজে বেশ কিছুটা অংশ নিজেদের সীমানার অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

 অক্টোবরের শেষভাগে চীনা সেনা সীমান্ত অতিক্রম করে নেমে এল— একতরফা যুদ্ধ ঘোষণার মতো। যুদ্ধের ফল ছিল ভারতের জন্য বিপর্যয়কর: ৩৬ দিনের মধ্যে থাকসিং, ওয়ালং, নামকা চু-জুতে পরাজয়, হাজারও সৈন্য শহিদ। এত দিন ধরে নেহরুর ‘হিন্দি-চিনি ভাই-ভাই’ স্লোগান ধুলোয় মিশে গেল নিমেষে

 

সূর্যের পাহাড়ে আগুন

 

উত্তর-পূর্বের হিমালয়-গিরিখাতে ১৯৬২-তে যুদ্ধের আগুন জ্বলে উঠল অক্টোবরের শেষ দিকে, যেন পাহাড়ের দেবতারা ক্রুদ্ধ হয়ে ঝড় তুলেছেন। চীনা পাবলিক লিবারেশন আর্মি (PLA) নামল তম্মুতে (অসমের দরজা)— ভারতীয় পোস্টগুলোকে ছারখার করে দিল প্রথম ধাক্কায়। এখান থেকেই শুরু হল যুদ্ধের ভয়াবহ অধ্যায়, যা অরুণাচল হয়ে একেবারে ভারতের হৃদয়ে বেয়নেট দিয়ে আঘাত করল।

 

সবচেয়ে নাটকীয় মঞ্চ

 

ওয়ালং, যেখানে ভারতীয় ৭ম ব্রিগেডের অধীনে মেজর ইয়ংহাসবান্ডের নেতৃত্বে সৈন্যরা লড়াই করল অসম্ভব বেগে। চীনা সেনা টাঙ্ক, আর্মড ক্যারিয়ার নিয়ে ঢুকে পড়ল ১৪ অক্টোবর, ভারতীয়রা হাতে তৈরি মোর্কার দিয়ে প্রতিরোধ করল— কিন্তু ১৮ তারিখে পতন ঘটল ওয়ালং-এর, প্রায় ৫০০-এর বেশি ভারতীয় শহিদ হল। এরপর নামকা চু-জুতে মেজর জেনকিন্সের দল চীনাদের দু’দিন ধরে আটকে রাখল, পাহাড়ের ঢালে রক্তাক্ত লড়াইয়ে বীরত্বের অমর গাথা লিখল।

তাওয়াং আর সেপা-সিলাঙ্গলার সংঘর্ষে ভারতীয় ৪র্থ ডিভিশন ভেঙে পড়ল ২০ অক্টোবর, চীনা সেনা দ্রুত অগ্রসর হয়ে টিজিত পৌঁছোল। এই অংশগুলোর গুরুত্ব ছিল কৌশলগত— উত্তর-পূর্বের সংযোগপথ আটকে দেওয়া, যা ভারতকে বিচ্ছিন্ন করে তুলল। নভেম্বরে চীনা একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করল, কিন্তু এই রক্তাক্ত স্মৃতি উত্তর-পূর্বের মাটিতে, পাহাড়ে চিরকালের জন্য খোদাই হয়ে রইল। এই যুদ্ধই আজকের সুরক্ষিত এবং বলদর্পি ভারতের জন্ম দিয়েছে। এই পরাজয় ভবিষ্যতের প্রতিরক্ষা গড়ার ভিত্তি স্থাপন করে।

আজকের বর্ণনা তাওয়াং যুদ্ধের এক বীর শহিদ জসবন্ত সিং রাওয়াত আর তার দুই বোন নুরা-সেলার কাহিনি।

 

অমর জওয়ান

 

জশবন্ত সিং রাওয়াত, গাড়োয়াল রাইফেলসের রাইফেলম্যান— মাত্র ২১ বছর বয়সি, উত্তরাখণ্ডের এক সাধারণ গ্রামের ছেলে। সামান্য একটা ৩০৩ রাইফেল আর অটুট সংকল্প নিয়ে তিন দিন আটকে রেখেছিলেন চীনা সৈন্যদের।

হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন তাওয়াং-এর নুরানাং পোস্ট ভেঙে পড়ার পর তিনি একা দাঁড়িয়ে ছিলেন— ৭২ ঘণ্টা ধরে, ৩০০-এর বেশি চীনা শত্রুকে প্রতিহত করেন।

 

প্রথম রাত

 

ভোরের আগের অন্ধকারের মাঝেই শুরু হয় চীনা আক্রমণ। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে চীনা সেনারা উঠে আসতে চায়, এ পাশ থেকে মর্টারের গর্জন প্রত্যুত্তর দেয়।

জশবন্তের পোস্টে তখন ২৮ জন সৈন্য। কিন্তু প্রথম আক্রমণেই চাপ বাড়ে কারণ বিপক্ষ দল সংখ্যায় তাদের প্রায় ১০ গুণ। তবে উচ্চতম স্থানে থাকার জন্য তারা খানিকটা সুবিধা পায়। অর্ডার আসে রিইনফোর্সমেন্ট না আসা অব্দি থাকতে হবে।

ডান ও বাঁ-দিকের বাংকার থেকে গুলি চালিয়ে শত্রুর অগ্রগতি থামিয়ে দিতে চেষ্টা করে যায় তারা। রাত গড়িয়ে যায়, নতুন ভোর হয় গুলির ঝনঝনানিতে।

স্থানীয় মেয়ে সেলা আসে খবর নিয়ে— শত্রুরা ফ্ল্যাংকিং করছে। তবে প্রথম দিনের শেষে পোস্ট অটুট থাকে।

 

দ্বিতীয় দিন

 

সূর্য উঠতেই নতুন করে হামলা শুরু হয়। এর মধ্যেই শত্রুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। বেড়েছে অস্ত্র। মেশিনগান, গ্রেনেডের উপর্যুপরি আক্রমণের মুখে ভারতীয় বাংকার খড়কুটোর মতো উড়ে যায়, সঙ্গীদের মধ্যে আহত বাড়ে। জশবন্তরা মুষ্টিমেয় বারোজন সৈনিক পজিশন বদলে বদলে যুদ্ধ করেন— যাতে শত্রুরা ভাবে উপরে অনেক লোক।

অর্ডার আসে পিছু হটার। সবাই চলে যায়, বয়ে নিয়ে যায় আহত ও মৃত সৈনিকদের। কিন্তু জশবন্ত রয়ে যান। আর নীচে সীমান্তের সেই পাহাড়ি গ্রামের দুই মেয়ে, তারা জানত তাদের বীর ভায়েরা একা লড়াই করে চলেছে। রাত্রির গভীরে খাবার আর ওষুধ নিয়ে পৌঁছে যায় পোস্টে। তুলে নিয়ে আসে মৃত চীনা সৈন্যদের অস্ত্র-শস্ত্র ও ম্যাগাজিন।

নুরা স্মৃতিচারণ করেন— “সে-দিন তার পেটের দগদগে ক্ষতখানা দেখিয়ে বলেছিলাম, ‘ভাই, একা লড়বেন না।’ ভাই হেসে বলেছিলেন, ‘এটা আমার পোস্ট। এই পাহাড় ছাড়লে দেশের দরজা খুলে যাবে।’

 

তৃতীয় দিন

 

এইবার শত্রু বহুমুখী আক্রমণ চালায়। শূন্য পোস্ট আঁকড়ে জশবন্ত একাই। গুলি ফুরিয়ে আসে, তিনি শত্রুর অস্ত্র ছিনিয়ে নেন। সেলা-নুরা পাহাড়ি পথে খাবার এনে দেয়, পজিশন বদলে বদলে শত্রুকে বিভ্রান্ত করে রাখেন তিনি।

সন্ধ্যা অবধি তিনি ঘুরে ঘুরে মেশিনগান ও মর্টার চালান— সামনে, পাশে, পিছনে— যেন এক ভারতীয় প্লাটুন মোতায়েন করা রয়েছে।

 

চতুর্থ ভোর

 

চীনারা চূড়ান্ত আক্রমণ চালায়। গোলাবারুদ শেষ, জশবন্ত বেয়নেট হাতে নেন। শত্রুরা ওপরে উঠে এলে তিনি লড়েন। তাঁর মৃত্যুর যথার্থ কারণ জানা যায় না। তবে কথিত, নিজের বন্দুকের শেষ গুলি নিজের মাথায় নিয়ে তিনি বন্দিত্ব প্রত্যাখ্যান করেন। ১৭০ জন শত্রু নিহত হয় তাঁর হাতে। যুদ্ধ থামলে চৈনিক অফিসাররা তাঁর দেহ প্রত্যর্পণ করেন, যদিও সেই দেহের কিছুই ছিল না— মস্তক এবং বক্ষদেশ মাত্র। ভারতবর্ষ তার অমর জওয়ানকে মহাবীর চক্র দিয়ে মাথা নত করে।

আর নারানাঙের পোস্টটি অমরত্বের স্মৃতি হয়ে— জশবন্তগড়। মহাবীর চক্র তাঁর নামে। সেলা-নুরা পাহাড়ে দেবী হয়ে লোকমুখে বেঁচে থাকে। ওই গিরিখাতের নাম হয় সেলা গিরিখাত বা সেলা পাস। আর এতক্ষণে যাকে প্রেক্ষাপটে রেখে আলোচনা করছিলাম— নুরানাং জলপ্রপাত। তার আসল নাম ছিল তাওয়াংগের জলপ্রপাত। এই নুরা নামটি সেই মহিয়সী নারীর নাম থেকেই দেওয়া।

 

আজও রাতে বুটের শব্দ শোনা যায়— তিনি জশবন্ত সিং রাওয়াত, আজও অতন্দ্র পাহারায়। জয় হিন্দ জয় জওয়ান।

 

 ___________________________________________________________________________


প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান ধারাবাহিকটির আগের পর্বগুলি পড়ুন:

প্রথম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post.html

দ্বিতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_13.html

তৃতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_20.html

চতুর্থ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

পঞ্চম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

ষষ্ঠ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post.html 

সপ্তম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_12.html

অষ্টম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_19.html

নবম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

দশম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

একাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_88.html

দ্বাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_15.html

ত্রয়োদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_24.html

চতুর্দশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_30.html

পঞ্চদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post.html

ষোড়শ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_13.html

সপ্তদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_20.html

অষ্টাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_11.html

ঊনবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_25.html

বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post.html

একবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_8.html 

দ্বাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_16.html

ত্রয়োবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_22.html

চতুর্বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_29.html

পঞ্চবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post.html

ষট্‌বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_14.html

সপ্তবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_22.html

অষ্টাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_28.html

ঊনত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post.html

ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post_17.html

একত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post.html

 

মন্তব্যসমূহ