প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর

 

প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান

 

তমোঘ্ন নস্কর

 

 

অষ্টাত্রিংশ পর্ব: বলিদান পরম ধর্ম

 

 

আকাশটা ঘুমোচ্ছিল। এই ঘুম ভেঙেছে তার। গত দুইদিন দারুণ মেঘ ছিল। আজ সূর্য উঠবার তাল করছে ছেঁড়াখোঁড়া কালচে মেঘের মধ্যে দিয়েএকখামচি লালচে আলোয় আকাশটা কেমন যেন একটা পচা ক্ষতের মতো দেখাচ্ছে।

চিতোর দুর্গের চূড়াগুলো অন্ধকারের দাঁত হয়ে কামড়ে ধরছে আকাশটাকে। আকাশের সঙ্গে সাঁট বেঁধে শেষ মুহূর্তের অবরোধ দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে। আবার কনকনে উত্তুরে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। রাওয়াল তেজসিংহের খোলা তলোয়ারের গায়ে সেই বাতাস ধাক্কা খাচ্ছে, মনে হচ্ছে যেন কোনঅশরীরী শিস দিচ্ছে।

সূর্যটা বেরিয়ে এল মেঘের ফাঁক থেকে। আর তারপরেই শুরু হল তাণ্ডব।

প্রথম চোটটা এল দক্ষিণ দিক থেকে। আরও আরও আসছে দিল্লিশ্বরের সৈন্যরা। ঘোড়ার খুরের শব্দে পাহাড়ের বুক কেঁপে ওঠে থরথরিয়ে... থপ থপ; যেন হাজার-হাজার হাতুড়ি একসঙ্গে পিটছে পাথরের বুক। রাজপুত তলোয়ারের ফলাগুলো আগুনের ফুলকির মতো জ্বলে উঠল। প্রতিরোধ তাদের দিতেই হবে এইবারএকটা মুখোমুখি সংঘর্ষের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, ঘর্ঘর শব্দে খুলে গেল কেল্লার ভারী দরজাটা। বাঁধভাঙা জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রবল স্রোতে ভেসে এল রাজপুত যোদ্ধাদের সেই ভীষণ খরস্রোত।

ঝনঝন! ইস্পাতে ইস্পাতে ধাক্কা লাগার সেই তীক্ষ্ণ শব্দে বধির হল ভূমি। গরম, ফুটন্ত রক্তের স্রোত নামে উপত্যকায়। শীতের হিম হাওয়ায় সেই রক্ত থেকে ধোঁয়া ওঠে। ধুলোয় লাল রঙের আলপনা পড়ে— গোধরা, ধোমনা শৌর্যলক্ষ্মীর আলপনা।

 

সন্ধ্যা নেমে আসছে প্রায়। দুর্গের উত্তর দেয়ালে বজ্রমুষ্ঠিতে পতাকা ধরে ছিলেন রাওয়ালপুত্র কর্ণসিংহ। উত্তর দেওয়ালের নীচে তীব্র কণ্টকময় বনভূমি— এই দিক দিয়ে আক্রমণের আশঙ্কা প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু... তীক্ষ্ণ ধীসম্পন্ন কর্ণসিংহের কিছুতেই মনে শান্তি হচ্ছিল না। কেমন যেন বিপর্যস্ত বিধ্বস্ত লাগছে দিল্লির সৈন্যদলকে। সংখ্যার ভারে তারা অনেক কিন্তু কৌশল তাদের বিন্দুমাত্র নেই! অথচ গিয়াসউদ্দিন বলবন অন্যতম সমর কুশলী যোদ্ধা, তিনি নিজেও তাঁর সৈনিকদের বিশেষভাবে তৈরি করেন এমনটা তো হওয়ার কথা নয়।

তাদের অসি চালনা ও অন্যান্য দেখলে কেমন যেন আনাড়ি বলে মনে হয়। তাই এই মস্ত দুর্গটা প্রতিটি গম্বুজে তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছিলেন। আচমকাই তাঁর মনে হল নিজের ঘন বনভূমি যেন কেঁপে উঠলথমকে দাঁড়িয়ে কোমর থেকে দূরবীন বের করে চোখ রাখলেন সেখানে। না সবই তো স্থির। কিন্তু মন থেকে সন্দেহ গেল না। চিত্রার্পিতের ন্যায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন সেখানে আর তারপর দেখতে পেলেন লতাগুল্মের সবুজ ছদ্মবেশ ধরে উঠে আসছে তাতার, আরবিদের বাছাই করা ফৌজরা।

তারা যখন নিশ্চিন্ত হয়ে ভাববেন আজকের লড়াইয়ে তাদের জিত হয়েছে, নিশ্চিন্ত হয়ে সৈন্যরা যখন রাতের প্রহরাতে একটু ঢিলা দেবে, তখন নিঃশব্দে এদিক দিয়ে উঠে আসবে দুঃসাহসী যোদ্ধার দল। অতর্কিত আক্রমণে তাদেরকে...

আর ভাবতে পারলেন না তিনি। ষড়যন্ত্রটা ভালোই বুঝতে পেরেছেন। সামনের যে সৈন্যরা লড়াই করছে প্রান্তরে তারা সম্ভবত ভাড়াটে কিছু শিক্ষানবিশ। আসল যোদ্ধা এরাই।

 

এইদিকে সমস্যা গুরুতর। অধিকাংশ সৈন্যই দক্ষিণ দিকের রণপ্রান্ত থেকে তখনফিরে আসেনি। দ্রুত দামামা বাজালেন কর্ণসিংহ। যত সৈন্য জোগাড় করা গেল তাদেরকে দিয়ে সমস্ত  নিক্ষেপণ-যন্ত্র একত্রিত করলেন বটে কিন্তু সংখ্যায় কম। বরাবরই খানিকটা নিশ্চিন্তের দিক তাই বিশেষ ব্যবস্থা নেই। দুর্গের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত সেগুলো বয়ে নিয়ে আসতে যথেষ্ট সময় লাগে কিন্তু সময়েরই তো অভাব। কর্ণসিংহের তৎপরতায় দুর্গের প্রাচীর আর কোনপাথুরে কাঠামো নয়, বরং এক আদিম শিকারি জন্তুর খোলা চোয়াল, সে বুভুক্ষু এখুনি তার গাল থেকে গড়িয়ে পড়বে উত্তপ্ত লালা। নীচে ওই যে অগণিত পিঁপড়ের মতো কালো ছোপ, যারা চিতোরের হৃৎপিণ্ড ছিঁড়ে নিতে উদগ্রীবট, তাদের এক গ্রাসে আত্মসাৎ করবে সে।

প্রাচীরের খাঁজে খাঁজে তখন দানবীয় কড়াইগুলো টগবগিয়ে ফুটছে। তপ্ত তেলের উপর পাক খেয়ে ওঠা ধূম্রজাল তৈরি করেছে দৃঢ়সংকল্পের মুদ্রা। প্রহরীদের পেশিবহুল হাতের টানে সেই তপ্ত তৈলধারা জান্তব চোয়ালগুলো দিয়ে গড়িয়ে নীচে নেমে এল, আকাশ থেকে একফালি সূর্য গলে পড়ছে।

            একেবারে কাছাকাছি চলে আসা প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলালেন কর্ণসিংহ। কিন্তু সংখ্যায় তারা অজস্র সম্ভবত পুরো পাহাড়ের ঢাল ভরে গিয়েছে সুলতানি ফৌজে, অগত্যা নিক্ষেপণ যন্ত্রের দিকে হাত বাড়াতে হল, রাতের অন্ধকারে লক্ষ্য নির্ভুল হবে না কিন্তু এছাড়া যে আর গতিও নেই।

আর ঠিক সেই সময় উত্তর দিকের প্রাচীরের নীচে গুপ্ত দরজাটা একফালি ফাঁক হয়ে গেল সেখান থেকে তিরবেগে বেরিয়ে এল একটি ঘোড়া। কে বেরিয়ে গেল এই অসময়! দূরবীনে চোখ রেখে সেদিকে নজর রাখলেন কর্ণসিংহ। তাঁর বিশ্বস্ত অনুচরদের মধ্যে একজন! তবে কি এ বিশ্বাসঘাতকতা করতে চায়! কিন্তু হাতে অস্ত্রের বদলে মশাল কেন! আর ঘোড়ার পায়ের সঙ্গে বাঁধা এই এতবড় খড়ের ঝুপোটাই কেন?

একবার প্রাকারের শীর্ষের দিকে ফিরে তাকালো সেই অনুচর। চোখাচোখি হল কর্ণের সঙ্গে, বোধহয় সে জানত তার যুবরাজ ওইখানে দূরবীনে চোখ রেখে তার দিকে তাকিয়ে আছে। ম্লান হাসি হেসে মশালটা নাড়ালো তার দিকে... আর ঠিক তখনই শূন্যে একটা তির ছুটে গেল— বাতাসের বুক চিরে দেওয়া সেই কালান্তক লক্ষ্যভ্রষ্ট হল না। বিঁধে গেল ওই মশালচির গলায়। মশালটা হাত থেকে পড়ল শুকনো ঘাসের গাদায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান জিহ্বা চাটতে শুরু করল অন্ধকারকে। আলোয় আলোকিত হয়ে গেল প্রান্তর। দৃশ্যমান হল আক্রমণকারী তাতার ফৌজের অবস্থান। ঢাল বেয়ে গড়িয়ে নামতে লাগল বল্গাহীন ঘোড়া আর দেখিয়ে দেখিয়ে চলল অবস্থান।

অবিরাম প্রস্তর বৃষ্টি করে চলল ও নিক্ষেপণ-যন্ত্রগুলো। উপর থেকে নিক্ষিপ্ত এক-একটি পাথর নীচে সুলতানি ব্যূহকে আঘাত করছে, যেন কোনও অদৃশ্য দানব বিশাল এক হাতুড়ি দিয়ে মাটির পিঁপড়েদের থেঁতলে দিচ্ছে। ঢাল আর শিরস্ত্রাণ কোনও সুরক্ষা দিতে পারল না; গতির নিয়মে সেই পাথরগুলো অভিশাপ হয়ে গ্রাস করল সম্মুখ বাহিনীকে।

 

***

 

এরই মধ্যে একটা বাহিনী একেবারে দুর্গের প্রাকারে উঠে চলে এল। দুর্ধর্ষ তাতারদের আক্রমণে প্রতিরোধ ভেঙে পড়ার উপক্রম হল।

সেইখানটাতেই দাঁড়িয়েছিলেন কুমার কর্ণসিংহ। তাড়াতাড়ি রক্ষীরা তাঁকে ঘিরে ধরে গম্বুজের আড়ালে নিয়ে যেতে চাইলেন। কিন্তু তাঁর সৈন্যরা শুধুমাত্র তাঁকে রক্ষা করার জন্য প্রাণপণ লড়াই করবে আর তিনি রাজপুত হয়ে নিরাপদে দ্বিতীয় গম্বুজ বেয়ে নেমে আসবেন সুরক্ষা বলয়ের ভিতর এ হতে পারে না। তার বন্ধুর বলিদান মিথ্যা হতে পারে না।

দুর্গপ্রাকারের স্থানে স্থানে জমাট বেঁধেছে অন্ধকার। আর সেই অন্ধকার চিরে হঠাৎ কর্ণসিংহ লাফ মারলেন বন্ধ হতে থাকা দরজার আড়াল থেকে, বাতাসে স্থির হয়ে গেল কয়েক লহমার জন্য। তারপরেই তিনি গড়িয়ে গেলেন সম্মুখে!

রক্ষীরা হায় হায় করে উঠল কিন্তু কিছু করার নেই। ততক্ষণে ভারী লোহার দরজাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে যন্ত্রের কারিকুরিতে। সেই দিকে তাকিয়ে বুকভরে নিশ্বাস নিলেন কর্ণসিংহ। ভগবান জন্ম থেকেই তার একটা হাতকে অক্ষম করে পাঠিয়েছে, কিন্তু মনের জোর অন্যদের চাইতে কিছু মাত্র কম নয়।

কর্ণসিংহের উদ্দেশ্য ছিল তাতার বাহিনীর নায়কটিকে তাঁর নিজের দিকে আকৃষ্ট করা। সে জানত কুমারকে দেখলে সেই যোদ্ধা এগিয়ে আসবে। ব্যস্ত হয়ে পড়বে তাঁকে মারতে, নেতৃত্বহীন উচ্ছৃঙ্খল তাতারদের তার সৈন্যরা সেই সুযোগে পেড়ে ফেলবে।

তাতারের বাঁকানো তরবারি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ তুলল তাঁর খন্ডহ-র গায়ে। তাতার যোদ্ধাটির উপর্যুপরি আক্রমণ সামলাতে পারেনা একহাতে। প্রতিপক্ষ যোদ্ধাটিও বুঝে গিয়েছে এই রাজপুত যোদ্ধার বর্মের নীচে থাকা হাতটি কার্যকর নয়। প্রতিরক্ষার চেয়ে আক্রমণই আসল, তাতার নায়ক পাশ থেকে কুড়িয়ে নেয় একটি ধারালো রণকুঠার। কুমারের উপর দু'হাতে শানায় আক্রমণ।

তাতারের তরবারি কর্ণসিংহের বর্মভেদ করে চামড়া স্পর্শ করে। তবুও বাঁ-হাতটা কোনওমতে ক্ষত চেপে ধরে তলোয়ার চালান কর্ণ। এই শীতের রাতে ঘাম ঝরছে কুমারে কপাল দিয়ে, সেই ঘাম আর রক্তের নোনা স্বাদ ঠোঁটে লাগছে। ঠোঁট চেটে নেন কুমার।

 

শেষ আঘাত হানে তাতার সেনাপতি, শিরস্ত্রাণ চিরে করোটির ভিতর ঢুকে যায় ইস্পাত। কিন্তু ততক্ষণে... তাতার বীর এতক্ষণে বুঝতে পারেন তার ভুলের কথা। যে কয়জন তাতার দুর্গপ্রাচীরে উঠে এসেছিল, তারা সবাই মৃত। ব্যর্থ হয়েছে চক্রান্ত।

উপায়ান্তর না দেখে প্রাকারের উপর থেকেই কুমারের ঘোড়াটি নিয়ে লাফ মারে নীচেসঙ্গে বেঁধে নেয় কুমারের শির। এইটাই দেখাবে সুলতানকে।

কিন্তু ঘোড়াটি হ্রেষা দিয়ে ওঠে, ছিটকে ফেলে দেয় তাতার বীরকে। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ে সে, আর্তনাদ মিশে যায় রণক্ষেত্রের ঝনঝনানির মাঝে।

বহু রাতে ধীর মন্থর পায়ে দুর্গের সিংহদুয়ারে এসে পৌঁছোয় সেই ঘোড়া। একটি শির ঝুলে আছে রেকাবিতে। তার প্রিয় প্রভু কর্ণসিংহের শির। প্রভুর বদলা নিয়েছে সে।

যুদ্ধ শেষ। আকাশে চাঁদ ওঠে। ফ্যাকাশে, মরা মানুষের চোখের মতো সাদা সেই চাঁদ। সেই আলোয় দেখা যায় হাজার হাজার শব। বাতাস এখন আর শুধু কনকনে ঠান্ডা নেই। এখন বাতাস ভারী। লোহার গন্ধে, পোড়া তেল, গালার গন্ধে আর মৃত্যুর গন্ধে ভারী।

দুর্গের পাথুরে মেঝে রক্তে পিচ্ছিল, রক্ত জমাট বেঁধে কালচে হয়ে আসছে শীতের কামড়ে। দুর্গের সর্বোচ্চ চূড়ায় যেখানে পতপত করে উড়ছে একখানা গর্বিত পতাকা। এই পতাকাটি ধরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন কুমার কর্ণসিংহ, যিনি রাওয়াল হতে চাননি। কেবল দেশ রক্ষা করতে চেয়েছিলেন।

১২৫৩-৫৪ গোটা এক বছর ধরে মেওয়ারের দুর্গ অবরোধ ওরে আক্রমণ চালিয়ে যান দিল্লিশ্বর গিয়াসউদ্দিন বলবন। কিন্তু শেষ অব্দি ব্যর্থ হয়ে ১২৫৫ সনে প্রত্যাবর্তন করেন। পিছনে পড়ে থাকে অজস্র আত্মত্যাগ আর বলিদানেদ কাহিনি। কয়জন-ই বা সে-কথা মনে রাখে? মেওয়াররাজ রাওয়াল তেজসিংহকে সবাই মনে রেখেছে কারণ তিনি রাওয়াল। কিন্তু এই যে অজস্র আত্মত্যাগ যাদের উপরে দাঁড়িয়ে অখণ্ড ভারতভূমির স্বপ্ন দেখে আজও শত শত সীমান্ত প্রহরী, তাদের কথা কে-ই বা বলে...

 

 ___________________________________________________________________________


প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান ধারাবাহিকটির আগের পর্বগুলি পড়ুন:

প্রথম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post.html

দ্বিতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_13.html

তৃতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_20.html

চতুর্থ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

পঞ্চম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

ষষ্ঠ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post.html 

সপ্তম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_12.html

অষ্টম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_19.html

নবম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

দশম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

একাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_88.html

দ্বাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_15.html

ত্রয়োদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_24.html

চতুর্দশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_30.html

পঞ্চদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post.html

ষোড়শ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_13.html

সপ্তদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_20.html

অষ্টাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_11.html

ঊনবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_25.html

বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post.html

একবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_8.html 

দ্বাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_16.html

ত্রয়োবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_22.html

চতুর্বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_29.html

পঞ্চবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post.html

ষট্‌বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_14.html

সপ্তবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_22.html

অষ্টাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_28.html

ঊনত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post.html

ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post_17.html

একত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post.html

দ্বাত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post_14.html

ত্রয়োত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post_22.html

চতূস্ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/03/blog-post_2.html

পঞ্চত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/03/blog-post_15.html

ষট্ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/03/blog-post_29.html

সপ্তত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/04/blog-post.html

 

 

মন্তব্যসমূহ