প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর

প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান

 

তমোঘ্ন নস্কর

 

 

চতুঃত্রিংশ পর্ব: দুর্গা যায় না বিসর্জন

 

সেপ্টেম্বরের রাত। বর্ষা এই সমুদ্রতীরস্থ অঞ্চলগুলিতে একটু বেশি দিন স্থায়ী হয়। চট্টগ্রামের আকাশেও আজ ঘন মেঘের আনাগোনা, যেন কোনও এক আসন্ন প্রলয়ের সংকেত দিচ্ছে প্রকৃতি।

            লঘাটের অনুশীলন ক্যাম্পের এক কোণে প্রদীপ জ্বলছে ধিকিধিকি। প্রীতিলতা আয়নার সামনে দাঁড়ালেন। মায়ের কথা, বাবার কথা, পরিবারের কথা একবারের জন্যও মনে পড়ে কি? হ্যাঁ, মনে তো নিশ্চয়ই পড়ে। কিন্তু আজ তিনি আর কেবলমাত্র স্কুলশিক্ষিকা নন কিংবা বাবার আদরের দুলালি নন। আজ তিনি এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধা, যিনি দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য বলিপ্রদত্তপরনে চোস্তা আর পাঞ্জাবি, পাঞ্জাবি সাজে নিজেকেই যেন চিনতে পারলেন না প্রীতিলতা। একটি লম্বা শ্বাস নিয়ে দৃপ্ত ঋজু পদে এসে দাঁড়ালেন শিক্ষকের সামনে। মাথার লম্বা চুলগুলো পাগড়ির নীচে লুকিয়ে রাখতে রাখতে বিড়বিড় করে বলেছিলেন কিছু। তা আমাদের জানার উপায় নেই।

সেই শিক্ষক মানে মাস্টারদা সূর্য সেন এইবার ছাত্রীর পাশে এসে দাঁড়ালেন। ভিতরে ভীষণ ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ উত্তাল ঢেউ ভাঙলেও অনেক কষ্টে সংযত করেছেন নিজেকে। শান্ত চোখের দৃষ্টি আজ প্রীতিলতার উপর স্থির করলেন। তিনিও জানেন এই গুটিকয়েক মানুষ মুষ্টিমেয় ব্রিটিশদের মেরে কিছুই করতে পারবেন না, কিন্তু একটা বার্তা তাঁরা দিতে পারবেন— ব্রিটিশদের চোখে চোখ রেখে বলতে হবে যে, আমরাও পারি। ওই পাহাড়তলী ক্লাবের দরজায় লেখা আছে 'কুকুর এবং ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ'— আজ সেই অপমানের জবাব দিতে হবে। ইট মারলে যে পাটকেলটিও খেতে হয় সেটা তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে।

 

 

***

 

১৯১১ সালের ৫ মে, চট্টগ্রামের ধলঘাট অঞ্চলের এক উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন প্রীতিলতা। মা-বাবার আদরের 'রানি' শৈশব থেকেই ছিলেন ধীরস্থির, মেধাবী এবং অন্তর্মুখী। প্রীতিলতার শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়েছিল চট্টগ্রামের ডা. খাস্তগীর বালিকা বিদ্যালয়ে। শৈশবের দিনটি থেকেই শান্ত মেয়েটির চোখের গভীরে লুকিয়ে ছিল এক অদম্য সংকল্প।

১৯২৮ সালে লেটার মার্কস-সহ প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। তাঁর মেধার স্বাক্ষর সেখানেই থেমে থাকেনি; ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে ১৯৩০ সালে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় তিনি মেয়েদের মধ্যে প্রথম এবং সম্মিলিত মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেন।

            এরপর উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমালেন কলকাতায়। ঐতিহ্যবাহী বেথুন কলেজ থেকে তিনি দর্শনে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন। প্রীতিলতার এই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কেবল ডিগ্রি অর্জনের জন্য ছিল না, বরং তা ছিল তাঁর যুক্তি ও আদর্শকে শাণিত করার একটি মাধ্যম। বেথুন কলেজের এই শিক্ষাই বিপ্লবের বুনিয়াদকে পোক্ত করেছিল।

যদিও প্রীতিলতার হৃদয়ে বিপ্লবের বীজ উপ্ত হয়েছিল খুব ছোটোবেলায়, যখন মা তাঁকে ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাইয়ের বীরত্বগাথা পড়াতেন।

            ঢাকায় ইডেন কলেজে পড়ার সময় 'দীপালি সংঘ' নামক একটি নারী সংগঠনের সংস্পর্শে আসেন। লাঠিখেলা, ছোরা খেলা এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে তিনি নিজেকে কঠোর সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত করতে শুরু করেন। এখানেই তাঁর বিপ্লবী সত্তার প্রাথমিক বিকাশ ঘটে।

পরবর্তীতে কলকাতায় থাকাকালীন তিনি বৈপ্লবিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। বিএ পরীক্ষার পর তিনি চট্টগ্রামে ফিরে আসেন এবং নন্দনকানন অপর্ণাচরণ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু তাঁর প্রকৃত লক্ষ্য ছিল দেশের মুক্তি। এখানেই তাঁর জীবনে প্রবেশ করলেন মাস্টারদা সূর্যসেন।

শিক্ষিকা প্রীতিলতার জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন তিনি ১৯৩২ সালের জুন মাসে চট্টগ্রামের সর্বাধিনায়ক সূর্য সেন (মাস্টারদা)-এর সান্নিধ্য লাভ করেন। প্রীতিলতার অদম্য সাহস ও একাগ্রতা দেখে তিনি মুগ্ধ হন। মাস্টারদার নির্দেশনায় প্রীতিলতা আগ্নেয়াস্ত্র চালনা এবং গেরিলা যুদ্ধের কৌশল রপ্ত করেন।

তৎকালীন সময়ে নারীদের জন্য অস্ত্র ধরা ছিল অকল্পনীয়। বিশেষ করে পিস্তল চালনার জন্য কঠিন অধ্যবসায় প্রয়োজন হত কিন্তু মাস্টারদা কল্পনা দত্ত, প্রীতিলতার মতো বোনেদের সামর্থ্যের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছিলেন। চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ে এবং গোপন আস্তানাগুলোতে প্রীতিলতা রিভলভার এবং অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র চালনার নিবিড় প্রশিক্ষণ নেন। গেরিলা যুদ্ধের কৌশল, সংকেত আদান-প্রদান এবং অতর্কিত আক্রমণের পরিকল্পনা তৈরিতে তিনি মাস্টারদার ডান হাত হয়ে উঠেছিলেন।

মাস্টারদা বলতেন সশস্ত্র বিপ্লবের আগে প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতি। তিনি প্রীতিলতাকে ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নয়, আয়ারল্যান্ডের বিপ্লবীদের বীরত্বগাথা পড়ার নির্দেশ দিতেন। আয়ারল্যান্ডের অধিবাসীগণ ব্রিটিশদের থেকে নিজেদের মুক্ত করতে চেয়ে নিরন্তর সংগ্রাম করেছিলেন। তাদের নেতার রব রয় কিংবদন্তি। এই সকল কাহিনি দিয়ে তিনি তাঁর ছাত্রীদেরকে উদ্‌বুদ্ধ করতেন।

মাস্টারদার সঙ্গে একত্রে বেশ কয়েকটি অভিযান চালান, মূল লক্ষ্য ছিল ওঁর রিজার্ভ পুলিশ লাইন টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন অফিসগুলি। ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে নির্মল সেন ও অপূর্ব সেন শহীদ হন। মাস্টারদা ও প্রীতিলতা অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরেন। এই ঘটনা প্রীতিলতাকে শিখিয়েছিল যুদ্ধের ময়দানে বিচলিত না-হয়ে কীভাবে লক্ষ্যস্থির রাখতে হয়।

 

পরিকল্পনা

 

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাবটি ছিল ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের আমোদ-প্রমোদের কেন্দ্র। ক্লাবের প্রবেশদ্বারে লেখা ছিল সেই কুখ্যাত বাক্য— Dogs and Indians are not allowed  বাঙালির হৃদয়ে এক জ্বলন্ত আঙরার মতো দগদগ করত।

মাস্টারদাই প্রথম চাইলেন এই দম্ভের দুর্গ গুঁড়িয়ে দিতে।  সেইমতো পরিকল্পনা করলেও প্রথম আক্রমণের আগেই ধরা পড়ে যান কল্পনা দত্ত। এবং পরিকল্পনা বাতিল হয়।

মাস্টারদা দ্বিতীয় পরিকল্পনা শুরু করেন আর সেই সময় তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় প্রীতিলতার। শুরু থেকেই এই আক্রমণের নেতৃত্বে নারীকেই ভাবা হয়েছিল তার কারণ এই অপমান মায়ের অপমান। আর দ্বিতীয়ত এই মিশনটি পরিকল্পিতভাবেই আত্মঘাতী। বঙ্গদেশের নারীরাও পুরুষদের থেকে কোনও মাত্রায় কম নয়, সেটা সরকার বাহাদুরকে বোঝানো প্রয়োজন ছিল।

১৯৩২ সালের সেপ্টেম্বর মাস। মাস্টারদা প্রীতিলতাকে এই অভিযানের সর্বাধিনায়ক মনোনীত করে তাঁর অধীনে দিলেন একদল নির্ভীক তরুণ বিপ্লবীকে:

 

            শান্তি চক্রবর্তী

            কালীকিংকর দে

            প্রফুল্ল দাস

            বিভূতিভূষণ ভট্টাচার্য

            মহেন্দ্র চৌধুরী

            রণধীর দাশগুপ্ত

            পান্নালাল সেন

অভিযানের আগে ক্লাবের ভিতরের অবস্থান এবং প্রহরীদের গতিবিধি জানার জন্য বিপ্লবীরা বারটেন্ডার ও খানসামাদের মাধ্যমে গোয়েন্দাগিরি করেন। সিদ্ধান্ত হয়, প্রীতিলতা এবং তাঁর দল পুরুষের ছদ্মবেশ ধারণ করবেন। প্রীতিলতা সম্ভ্রান্ত শিখ ব্যবসায়ীর সাজ নিলেন। দলের বাকি সদস্যরাও হাফপ্যান্ট এবং শার্ট পরে নিজেদের শিখ ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত পরিচারক হিসাবে প্রস্তুত করেন।

অভিযানের জন্য জোগাড় করা হয়েছিল

            ১টি রিভলভার (প্রীতিলতার হাতে)

বোমা এবং মাস্কেট বন্দুক

            পটাশিয়াম সায়ানাইড (ধরা দেওয়া যাবে না)

পরিকল্পনা ছিল— প্রীতিলতার বাঁশির সংকেত পাওয়া মাত্রই সব দিক থেকে একসঙ্গে আক্রমণ শুরু হবে।

            ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৩২ সন্ধ্যায় কাট্টলীর এক গোপন আস্তানায় মাস্টারদা প্রীতিলতা ও তাঁর দলকে শেষবারের মতো আশীর্বাদ করেন। মাস্টারদা সন্তানসম ছাত্রদের বলেছিলেন, "দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন দিতে যেন দ্বিধা না-হয়।"

 

 

***

 

রাত ১০টা ৪৫ মিনিট। পাহাড়তলী ইউরোপীয় ক্লাবটা তখন আলোয় ঝলমল করছে। বিলিতি সুর আর মদের গ্লাসের ঠুংঠাং শব্দ এই টেবিল থেকে ওই টেবিল উড়ে চলেছে খানসামারা, তাদের হাতে ট্রে রোস্টেড মাংসের সুগন্ধ ম-ম করছে চতুর্দিক। প্রীতিলতার নেতৃত্বে আটজন বীর বিপ্লবী অন্ধকার ফুঁড়ে এগিয়ে এলেন। প্রীতিলতার হাতে রিভলভার, কোমরে বাঁধা পটাশিয়াম সায়ানাইডের ছোটো একটি শিশি।

প্রীতিলতার কণ্ঠের সেই রণহুংকার নিস্তব্ধ রাতকে চিরে দিল। ঝনঝন করে ভেঙে পড়ল ক্লাবের কাচের জানালা। একসঙ্গে অগ্নিস্রাব শুরু করল সবটি আগ্নেয়াস্ত্র বোমার শব্দ আর বারুদের গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে উঠল। মুষ্টিমেয় প্রহরীর দল বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল কিন্তু দাঁড়াতে পারল না।

একটি বুলেট প্রীতিলতার শরীরে এসে বিঁধল। যন্ত্রণার অভিঘাতে পৃথিবীটা দুলে উঠল তাঁর। কিন্তু তিনি থামলেন না। উপর্যুপরি বোমা চার্জ করে নিজেকে আলাদা করে নিলেন। সাথিদের নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার ইশারা দিলেন। ব্রিটিশ পুলিশ ততক্ষণে চারপাশ ঘিরে ফেলেছে।

প্রীতিলতা বুঝলেন, সময় ফুরিয়ে এসেছে। শত্রুর হাতে ধরা দেওয়া মানেই হল আন্দোলনের গোপন তথ্য ফাঁস হওয়া, আর সেটা তিনি হতে দেবেন না। ধীর হাতে পকেট থেকে বের করলেন সেই ছোটো শিশিটি।

বিদায় প্রিয় চট্টগ্রাম, বিদায় বাবা-মা, বিদায় সাথি-বন্ধুরা... বিদায় মা... তোমার বুকে পতপত করে ওড়া পতাকাটি কেবল অদেখা রয়ে গেল। কিন্তু যা দেখলুম এই বা কম কি?

শেষ মুহূর্ত অবধি দেখে গেলেন, শ্বেতাঙ্গ অফিসাররা ভয়ে টেবিলের নীচে পালাচ্ছে। যারা একদিন ভারতীয়দের মানুষ বলে গণ্য করেনি, আজ তারা এক বাঙালি তরুণীর গুলির সামনে দিশেহারা। এক চিলতে হাসি ফুটিয়ে তিনি সায়ানাইড পান করলেন।

কলম এখানেই তুললাম কারণ প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মৃত্যু নেই। বিষ পান করে মহাদেব যেমন অমর, তিনিও অমর... জয় হিন্দ!

 

 ___________________________________________________________________________


প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান ধারাবাহিকটির আগের পর্বগুলি পড়ুন:

প্রথম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post.html

দ্বিতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_13.html

তৃতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_20.html

চতুর্থ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

পঞ্চম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

ষষ্ঠ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post.html 

সপ্তম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_12.html

অষ্টম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_19.html

নবম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

দশম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

একাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_88.html

দ্বাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_15.html

ত্রয়োদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_24.html

চতুর্দশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_30.html

পঞ্চদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post.html

ষোড়শ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_13.html

সপ্তদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_20.html

অষ্টাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_11.html

ঊনবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_25.html

বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post.html

একবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_8.html 

দ্বাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_16.html

ত্রয়োবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_22.html

চতুর্বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_29.html

পঞ্চবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post.html

ষট্‌বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_14.html

সপ্তবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_22.html

অষ্টাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_28.html

ঊনত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post.html

ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post_17.html

একত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post.html

দ্বাত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post_14.html

ত্রয়োত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post_22.html

 

 

 


মন্তব্যসমূহ