প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর

প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান

 

তমোঘ্ন নস্কর

 

 

সপ্তচত্বারিংশ পর্ব: বরিশালের যুদ্ধ

 

 

১৬১১ খ্রিস্টাব্দ। বরিশালের আগে জালের মতো বিস্তীর্ণ জলপথের দোরগোড়ায় দিশেহারা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিল পর্বতের ন্যায় বিশাল আকৃতির রণপোতগুলি। সৈয়দ হাকিম অবাক হয়ে দেখছিলেন, জলজঙ্গলে ঘেরা দুর্ভেদ্য বদ্বীপ অঞ্চল। এরপর যে জলপথ শুরু হচ্ছে সেই জলপথ তাদের অজানা। এত অসংখ্য খাল এবং সুতি খাল ছড়িয়ে আছে যে, তার মধ্যে দিয়ে এই নৌবহর প্রবেশ করানো মুশকিল! গতকাল ছোটো ছোটো কয়েকটি নৌকা সম্মুখভাগ দেখে আসার জন্য অগ্রসর হয়েছিল, এখনও তারা আর ফিরে আসেনি। তিনি নিশ্চিত ওরা আসবে না। ওই ঘন ঝুপসি জঙ্গল, ওখান থেকেই শমন নেমে এসেছে তাদের উপর। শুধুমাত্র রামচন্দ্রের চোরাগোপ্তা গেরিলা সেনাবাহিনী নয়। ওই জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে হিংস্র শ্বাপদকুল, তারাই এ জঙ্গলের অধিপতি। তারাই এখানকার আসল শিকারি, রাত্রে যখন সমস্ত হইচই থেমে যায়— তখন তিনি শুনেছেন তাদের সেই রাত্রিগর্জন। মানুষ সেই দূরতিক্রমণীয় দুর্ভেদ্য দুর্গ অতিক্রম করবে, তবেই না বাংলা অবধি পৌঁছোবে।

 

বাকলা কেল্লা

 

পর্তুগিজ দস্যু জন গেরির তামাটে চেহারাটা কঠোর পরিশ্রমে কালো বর্ণ ধারণ করেছে। অবশ্য কেবলমাত্র পরিশ্রম নয়, তাঁর ঘর্মাক্ত গায়ে সোরার গুঁড়ো মিশে আছে। ছোটো ছোটো হাত-কামানগুলিকে বিশেষভাবে প্রস্তুত করছেন তিনি। মুঘলদের অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের সঙ্গে যদি কেউ পাল্লা দিতে পারে তা হলে এ কেবলমাত্র পর্তুগিজদের বিদেশি অস্ত্র জ্ঞান।

পর্তুগিজ জলদস্যুরা কেবল লুণ্ঠনের উদ্দেশ্যে এলেও যখন থেকে ব্রিটিশরা সাধু বণিকের ছদ্মবেশে আসা শুরু করল, তারাও অস্ত্র লুকিয়ে দেশীয় রাজাদের কাছে ক্রমশ নিজেদের থিতু করতে শুরু করেছিলেন। জলদস্যুর অভিশপ্ত জীবনের চেয়ে জমিদারি কিংবা ব্যবসায়ী অনেক ভালো। এবং দেশে ফিরে গেলে প্রভূত সম্মানের হকদার হওয়া যায়। এই উদ্দেশ্য নিয়ে বহু পর্তুগিজ জলদস্যু দেশীয় রাজাদের নৌবহরের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সেরকমই একজন এই জন গেরি— রাজা রামচন্দ্রের নৌবহরের অন্যতম সেনাপতি। নৌযুদ্ধের স্থপতিও বলা যায়। রাজার জালুয়া নৌকাগুলি অর্থাৎ বড়ো নৌকাগুলিকে বিশেষ উপায়ে মুঘলদের নৌবহরের সঙ্গে টিকে থাকার পারদর্শী করে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।

তুলনামূলকভাবে ছোটো ছোটো কোশা নৌকাগুলির দায়িত্বে রয়েছেন শত্রুঘ্ন— তিনি রাজা রামচন্দ্রের কনিষ্ঠ ভ্রাতা, রাজা কন্দর্প নারায়ণের ছোটো ছেলে। এই বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে তাঁর জন্ম, কোশা নিয়েই তাঁর ঘুরেফিরে বেড়ানো। তাই এই ছোটো ছোটো নৌকা নিয়ে বিশেষ এক দ্রুতগতি নৌবহর তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর উদ্দেশ্য মূলত গেরিলা আক্রমণ করা। তবে এর জন্য নৌকাগুলিকেও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। গতকাল তাঁদের কাছে বার্তা এসে পৌঁছেছে মূলনদীতে এসে দাঁড়িয়েছে মুঘল নৌবহর। কয়েকজন এগিয়ে এসেছিল সাহস করে বটে। কিন্তু তারা সম্পূর্ণরূপে নিকেশ হয়েছে। হাতে আর খুব বেশি সময় নেই।

বাকলায় দুর্গের বাতায়নে বসেছিলেন রামচন্দ্র, তাঁর কপালে চিন্তার মেঘ। শ্বশুরমশাই কি তবে ভবতারাকে বিবাহ করার জন্য ক্রুদ্ধ হয়েছেন? না-হলে মুঘল আর সত্রাজিতের বাহিনী ঠেকানোর জন্য তাঁর সাহায্য চাওয়ার পরেও চুপ রইলেন কেন? হ্যাঁ, দূত মারফত খবর এসে পৌঁছেছে, তাঁর রাজত্বের আঁটঘাট বিদ্রোহী জমিদার সত্রাজিত মুঘলদের কাছে বিক্রি করেছে এ কথা শোনার পর স্ত্রী ও বাকি রাজনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি সম্মিলিত বাহিনীকে আহ্বান করেছিলেন। আপন শ্বশুর যশোরাধিপতি রাজাধিরাজ প্রতাপাদিত্যকে পত্র লিখেছিলেন তিনি। কিন্তু সে-পত্র এল কই

 

যুদ্ধ

 

বরিশাল এবং শায়েস্তাবাদের যুদ্ধে ভীষণ রকম পর্যুদস্ত হল মুঘল বাহিনী। নৌপথে বাকলা অব্দি পৌঁছোতে পারল না তারা। জালের মতো ছড়িয়ে থাকা নদীর আঁকেবাঁকে লুকিয়ে থাকে চন্দ্রদ্বীপের নৌকাগুলো আর মুহূর্তের মধ্যে জঙ্গলের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে ঝটিকা আক্রমণ চালায়। তাতে অবশ্য বিশাল কিছু ক্ষতি করতে পারে না। কিন্তু বারংবার আক্রমণের মুখে রণপোতগুলো ক্ষয় হতে লাগল।

মুখোমুখি সংঘর্ষ যতগুলি হয়েছে তাতে তাদের মধ্যে মুঘলদের বৃহৎ ঘুরাব নৌকাগুলো বরাবর এগিয়ে, ঘুরাবের বহর অনেক বড়ো ফলে কামানের সংখ্যা বেশি, তাই রাজার জালুয়া নৌকাগুলি খুব বেশি কাছে আসতে পারেনি। দূর থেকে গোলা ছুড়ে ক্ষান্ত হয়েছে, যদিও পর্তুগিজ গোলন্দাজ আর নৌ-সেনাপতির দক্ষতায় তাদের বেশ কিছু ক্ষতি হয়েছে কিন্তু তবুও তারা টিকে রইল। কিন্তু কয়েক দিনে দেখা গেল, ক্রমাগত জোয়ারভাঁটার সুযোগ নিয়ে বারবার জালুয়া (জোয়ারে) এবং কোশাগুলো (ভাটায়) ফিরে ফিরে আসতে লাগল। বদলে বদলে এই ক্রমাগত এবং স্থায়ী আক্রমণ হতে থাকলে ঘুরাবগুলিও যে একসময় ভেঙে পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ভাটার সময় এই সমস্ত বৃষ্টির জলে পুষ্ট নদীগুলি এতটাই অগভীর হয়ে যায় যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মার খাওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। তাদেরকে আক্রমণ করে চোখের সামনে দিয়েই পালিয়ে যায় ছোট্ট ছিপছিপে বরিশালি কোশাগুলি।

তবে স্থলপথে মির্জা মক্ষির সুশিক্ষিত মুঘল সেনাদের কাছে খানিকটা পিছিয়ে পড়েছিল চন্দ্রদ্বীপের সৈন্যরা। চন্দ্রদ্বীপের বদ্বীপ ভূমিতে বেশিরভাগই পাইক এবং আবাদি সৈনিক যুদ্ধ তাদের ব্যবসা নয়, আত্মরক্ষা। মুখোমুখি সংঘাতে মুঘল এবং পাঠান যুদ্ধব্যবসায়ীদের সামনে খানিকটা হলেও পিছিয়ে পড়ল তারা।

দিন যায়, অবরোধ বাড়তে থাকে। মুঘলদেরকে প্রতিহত করার জন্য রসদ ও অন্যান্য সরবরাহগুলিকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিল চন্দ্রদ্বীপের বাহিনী। এই নীতিই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য ভারী হয়ে পড়ল। মুঘল বাহিনী তাদের বড়ো জাহাজগুলিকে নিয়ে সমুদ্রে ঘাঁটি গেড়ে বসে রইল। রসদ নষ্টের কারণে রসদ কমে আসতে থাকল দুই পক্ষেরই।

রামচন্দ্রও আশা করেছিলেন বাকি বারো ভূঁইয়ারা তাঁকে সাহায্য করবেন সরবরাহ করে, কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল রাজা প্রতাপ-সহ বাকিরা নির্বিকার রইলেন। রাজা প্রতাপের ক্ষোভ ছিল তাঁর কন্যার প্রেম-বিবাহ। বাকি বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে কয়েকজন রাজা প্রতাপের বিরোধিতা করতে সাহস পেলেন না। এবং বাকিরা পারস্পরিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিলেন। ফলে চন্দ্রদ্বীপের মতো জলবেষ্টিত ভূমিতে একপ্রকার একা হয়ে পড়লেন রাজা রামচন্দ্র। বাধ্য হয়েই আলোচনার প্রস্তাবে সম্মতি দিতে হয়েছিল তাঁকে।

এরমধ্যে রাজা সত্রাজিতের প্ররোচনায় গড়া হল এক নতুন ষড়যন্ত্র— মুঘল সুবেদার ইসমাইল খাঁ চিস্তির জাহাঙ্গীরনগর অর্থাৎ ঢাকার দরবারে কৌশলে আলোচনা প্রস্তাবের জন্য ডেকে নিয়ে এসে বন্দি করা হয় রাজা রামচন্দ্রকে।

ভ্রাতা শত্রুঘ্ন আপন প্রাণের বিনিময়ে রাজা রামচন্দ্রকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। রাজা রামচন্দ্র বাকলায় ফিরে এলে আবার আক্রমণ শুরু করেন।

কিন্তু ততদিনে মুঘল সৈন্যবাহিনী ভাগের এক ভাগ হয়ে গিয়েছে। এক সামান্য ভূস্বামীর করাল কর্কটে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অতএব শর্তসম্মত সন্ধিতে বাধ্য হয় মুঘলরা। তাঁর রাজত্বও ফিরিয়ে দেয় এবং কেবলমাত্র করদ রাজ্যে (অর্থাৎ স্বাধীনভাবে রাজত্ব করবেন, কেবল রাজত্বের একটি অংশের কর দেবেন) স্বীকৃত হন।

 

আজকের বাঙালির কাছে এই মৃত গৌরব তুলে ধরা আশু প্রয়োজন। তাই চন্দ্রদ্বীপের কথাও খানিকটা আলোচনা করে যাব।

চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগে কিংবা পঞ্চদশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলার রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় রাজা দনুজমর্দন দেব (মতান্তরে দনুজ রায়) চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন। একদিকে সোনারগাঁওয়ের পতন এবং অন্যদিকে ইলিয়াস শাহী বংশের উত্থান— এই বিক্ষুব্ধ সময়ে তিনি এই দুর্গম বাকলা অঞ্চলে এসে স্বাধীন অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রবাদ মতে, দনুজমর্দন দেব তাঁর আধ্যাত্মিক গুরু চন্দ্রশেখর চক্রবর্তীর নামানুসারে এই রাজ্যের নাম রাখেন ‘চন্দ্রদ্বীপ’। অন্যদিকে ঐতিহাসিকদের মতে, গঙ্গার মোহনায় পলিমাটি জমে সৃষ্ট এই দ্বীপের আকৃতি চাঁদের মতো ছিল বলেই এর নাম হয় চন্দ্রদ্বীপ। মুঘল নথিপত্রে ('আইন-ই-আকবরী') এলাকাটি ‘সরকার-ই-বাকলা’ নামে পরিচিত ছিল। দনুজমর্দন দেবের পর এই রাজত্ব কায়স্থ বসু (বসু-মিত্র) পরিবারের হাতে চলে যায়। এই বংশের প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজা হলেন— পরমানন্দ রায়; মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি আবুল ফজল তাঁর ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে বাকলার শাসক হিসেবে পরমানন্দ রায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। গ্রন্থমতে তাঁর সময়ে রাজ্যটি স্থিতিশীলতা পায়।

এরপর কন্দর্প নারায়ণ বসু ১৫৮৪ থেকে ১৫৯৮ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। চন্দ্রদ্বীপ রাজ্যের সমৃদ্ধি এবং সামরিক শক্তি তাঁর আমলেই চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছোয়। বাংলার 'বারো ভূঁইয়া'-দের অন্যতম প্রধান ছিলেন কন্দর্প নারায়ণ। বহিরাক্রমণ ঠেকানোর জন্য রাজ্যের দক্ষিণে সমুদ্র উপকূলে সুদৃঢ় দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। ১৫৮৬ সালে বিখ্যাত ইংরেজ পর্যটক রাল্‌ফ ফিচ (Ralph Fitch) বাকলায় এসে কন্দর্প নারায়ণের রাজ্যের সমৃদ্ধি ও সামরিক শক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এই কন্দর্প নারায়ণের পুত্র রামচন্দ্র রায় (১৫৯৮-১৬৬৮) আজকের আলোচ্য। তিনি যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্যের কন্যা বিন্দুবাতি (বা ভবতারা)-কে বিবাহ করেছিলেন। এইজন্য পরে রাজা প্রতাপাদিত্য তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছিলেন এবং রামচন্দ্র সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন, এই ঘটনা বাংলার লোককথায় আজও বেশ জনপ্রিয়। ঐতিহাসিক সত্য নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

১৬১১ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খাঁ বাংলার স্বাধীন ভূঁইয়াদের দমন করার উদ্যোগ নেন। ১৬১১ সালের ডিসেম্বরে মুঘল সেনাপতি সৈয়দ হাকিম, রাজা সত্রাজিৎ প্রমুখের নেতৃত্বে এক বিশাল বাহিনী চন্দ্রদ্বীপ আক্রমণ করে। ইতিহাসে এটি 'বাকলা বিজয়' নামে পরিচিত। যদিও এরপরে তিনি সুদীর্ঘ পঞ্চাশ বছর রাজত্ব করেছিলেন।

তার মৃত্যুর পরও রাজত্ব দীর্ঘদিন সগৌরবে টিকেছিল, কিন্তু ক্রমাগত নদীর ভাঙনের জন্য রাজধানী পরিবর্তিত হতে থাকে এবং শেষমেশ মাধবপাশার আশেপাশে ক্ষুদ্র অঞ্চলে সীমাবদ্ধ হয়। অবশেষে ১৭৯৯ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় সূর্যাস্ত আইন (Sunset Law) অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে রাজস্ব প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় চন্দ্রদ্বীপ জমিদারি নিলামে ওঠে। যৎসামান্য যতটুকু ছিল সেটুকু কিনে নেন এক মুদির দোকানি!

সামান্য একটি দ্বীপবেষ্টিত ভূমির রাজারা যে সাহস দেখিয়েছিলেন তাতেই বাঙালির শিরদাঁড়া চিহ্নিত হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু আফসোস আজ বাঙালি ভীষণ রকম নিস্পৃহ, নিস্প্রভ। নিজের অস্তিত্ব রক্ষার প্রতি ভীষণই উদাসীন।

 

___________________________________________________________________________


প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান ধারাবাহিকটির আগের পর্বগুলি পড়ুন:

প্রথম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post.html

দ্বিতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_13.html

তৃতীয় পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_20.html

চতুর্থ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

পঞ্চম পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html

ষষ্ঠ পর্ব:  https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post.html 

সপ্তম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_12.html

অষ্টম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_19.html

নবম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

দশম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html

একাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_88.html

দ্বাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_15.html

ত্রয়োদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_24.html

চতুর্দশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_30.html

পঞ্চদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post.html

ষোড়শ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_13.html

সপ্তদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_20.html

অষ্টাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_11.html

ঊনবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_25.html

বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post.html

একবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_8.html 

দ্বাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_16.html

ত্রয়োবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_22.html

চতুর্বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_29.html

পঞ্চবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post.html

ষট্‌বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_14.html

সপ্তবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_22.html

অষ্টাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_28.html

ঊনত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post.html

ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post_17.html

একত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post.html

দ্বাত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post_14.html

ত্রয়োত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post_22.html

চতূস্ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/03/blog-post_2.html

পঞ্চত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/03/blog-post_15.html

ষট্ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/03/blog-post_29.html

সপ্তত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/04/blog-post.html

অষ্টত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/04/blog-post_12.html

ঊনচত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/04/blog-post_19.html

চত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/04/blog-post_26.html

একচত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/05/blog-post.html

দ্বিচত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/05/blog-post_17.html

ত্রিচত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/05/blog-post_24.html

চতুশ্চত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/05/blog-post_31.html

পঞ্চচত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/06/blog-post.html

ষট্‌চত্বারিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/06/blog-post_14.html

 

 

 


মন্তব্যসমূহ