প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান - তমোঘ্ন নস্কর
প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান
তমোঘ্ন নস্কর
ঊনপঞ্চাশৎ পর্ব: যশোরেশ্বর
আষাঢ় শেষ করে
শ্রাবণে প্রবেশ করেছে বঙ্গপ্রকৃতি। এই সময়টা তার শৃঙ্গারের সময়, চোখে কাজল দিয়ে
দিঘল শাড়ি পরে ভারী সুন্দরী সেজে থাকে। সব সময় ঢলঢল করে তার চক্ষু। তার প্রধান
নদীগুলি— ইছামতী, রায়মঙ্গল— উচাটন হয়ে থাকে সদাই। অথচ আজ রায়মঙ্গল অস্বাভাবিক
রকমের শান্ত। কালো আকাশটা মস্ত একটা চাঁদোয়ার মতো নেমে আসছে ধীরে ধীরে। দুই তীরের
গরান-গেওয়ার জঙ্গল অন্ধকারকে আরও ঘন করে তুলেছে। সেই অন্ধকারের মধ্যেই ছায়ার মতো
ছড়িয়ে পড়ছিল ওরা; ওরা প্রতাপাদিত্যের নৌবহর— বৃহৎ রণতরীগুলি মাঝস্রোতে, ছোটো
দ্রুতগামী নৌকাগুলি খাঁড়ির মুখে, আর অগ্নিবাহী ভেলাগুলি স্রোতের উজানে বাঁধা।
এক-একটি
মুহূর্ত যেন এক-একটি ঘণ্টা। ইতিমধ্যে জোরে বাতাস বইতে শুরু করেছে, ঝড় এল বলে।
জোয়ারের প্রথম টানে দক্ষিণ দিগন্তে অসংখ্য আলো জ্বলে উঠল। মুঘল নৌবহর নদীর বুকে
দীর্ঘ অজগরের মতো এগিয়ে এসেছে। ভারী যুদ্ধজাহাজ, কামানবোঝাই বজরা, অশ্ব ও
পদাতিকবাহী নৌকা— একটি সুশৃঙ্খল জলসেনা। জোয়ারের এই টানটির জন্যই অপেক্ষা করছিল।
রাজা
প্রতাপের বহর স্থির রইল। প্রতাপের বয়স হয়েছে। সুদীর্ঘ বাবরি চুলে রুপালি ধরেছে। আর
সেই সঙ্গে আরও বেশি স্থিতধি হয়েছেন মানুষটা। সেনাপতিরা অস্থির হচ্ছেন; মুঘল নৌকায়
যে ভারী ভারী কামান আছে, সেগুলি দাগলে তাদের যুদ্ধে ক্ষতি হবে। এখন থেকেই
আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ শুরু না-হলে সমস্যা। কিন্তু রাজা প্রতাপ হালে দাঁড়িয়ে আনত করে
রইলেন তরবারি। শত্রু আরও কাছে এল... সঙ্গে পাকসাট মেরে উঠল ঝড়। ‘স্লিং’... ঝড়ের
কালো আঁধারের মাঝে ঝিকিয়ে উঠল ‘ভবানী’—রাজা প্রতাপের সুবিশাল তরবারি। হঠাৎ নদীর
দুই পার থেকে পেরিয়ে এল ছোটো ছোটো ছিপ-নৌকা। নৌকাগুলোর খোলা পাল বাতাসের ঝড়ো হাওয়া
বুকে ধরে দ্রুত এগিয়ে এল জাহাজের গায়ে গায়ে। আর ঠিক সেই মুহূর্তে দাউদাউ করে জ্বলে
উঠল নৌকাগুলো। মুহূর্তে বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরণে মুঘল জাহাজগুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে
গেল। পরপর তিনটি জাহাজের পরস্পর বিস্ফোরণের সংঘাতে কেঁপে উঠল রায়মঙ্গল।
এইবার
বুঝতে পারল সেনাপতি, এই নৌকাগুলি আত্মঘাতী হামলা ছিল। জল-জঙ্গলের রাজা
প্রতাপাদিত্য ঝড়ের পূর্বাভাসের সঙ্গে সঙ্গেই এই নতুন অভিনব পন্থাটি নিজের মাথায়
সাজিয়ে নিয়েছিলেন। অন্ধকারে গা মিশিয়ে আড়ালে থাকবে কয়েকটি ছিপ-নৌকা, তাদের ভিতরে
থাকবে ঠাসা বারুদ। যে-মুহূর্তে মুঘল জাহাজগুলো নিকটবর্তী হবে, সেই মুহূর্তে তাদের
নোঙর কেটে ছেড়ে দেওয়া হবে; জ্বালিয়ে দেওয়া হবে সলতে। মুঘল জাহাজগুলোর যা আড় এবং
বহর, তাদের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘোরানো সম্ভব নয়। বারুদ বোঝাই নৌকাগুলো ঝড়ো বাতাসে সোজা
গিয়ে জাহাজে ধাক্কা মারবে। ব্যস... সবকিছুই নির্ভর করছে ঝড়ের গতিবেগের উপর। আজ
যশোরেশ্বরী সহায় হয়েছেন, বাতাস একেবারে প্রতাপের মনমতো উঠেছিল।
কিন্তু
না, আক্রমণ থামল না। মুঘল বহর ভেঙে আবার জোট বাঁধল। তাদের ভারী কামান রায়মঙ্গলের
বুক কাঁপিয়ে গোলাবর্ষণ শুরু করল। নিখুঁত লক্ষ্যে প্রতিটি গোলায় প্রতাপাদিত্যের
রণতরী ক্ষতবিক্ষত হতে লাগল। ধোঁয়া, আগুন ও বারুদের গন্ধে ঢেকে গেল চরাচর।
প্রতাপাদিত্যের
পরিকল্পনার দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হল। উজানের দিক থেকে অগ্নিভেলাগুলি ছেড়ে দেওয়া হল।
স্রোতের টানে জ্বলন্ত ভেলাগুলি শত্রুবহরের দিকে ধেয়ে এল। কয়েকটি জাহাজে আগুন লাগল
বটে, কিন্তু মুঘল নৌবহর আগের থেকে অনেক বেশি সতর্ক, খুব বেশি ক্ষতি করা গেল না।
এদিকে ভারী পাল্লার কামানের আঘাতে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজা প্রতাপের বহর।
তিনি জমিদার রাজা, মহা আগ্রাসী মুঘল বাদশা নন। তাঁর অর্থ ও সেনাবল মুঘলের তুলনায়
সীমিত; তা সত্ত্বেও ইতোপূর্বে একত্রিশটি যুদ্ধে মুঘলদের পরাস্ত করেছেন। কিন্তু
নিজেরও ক্ষয় হয়েছে বিস্তর। আর কত-ই বা লড়তে পারেন? কত-ই বা আর নতুন করে বারবার
নিজেকে গড়তে পারেন?
তবু
প্রাণপণে লড়াই চালিয়ে যেতে লাগলেন রাজা প্রতাপাদিত্য আর তাঁর ফরাসি-পর্তুগিজ
নৌ-গোলন্দাজেরা। কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসতে লাগল।
মুঘল
যুদ্ধজাহাজগুলি দুই দিক থেকে অর্ধচন্দ্রাকারে এগিয়ে এসে প্রতাপাদিত্যের বহরকে ঘিরে
ফেলল। ভারী কামানের সামনে হালকা রণনৌকাগুলি একে একে ডুবে যেতে লাগল।
ভোরের
আগে গঞ্জালেসের পতন হল। রাজা প্রতাপাদিত্যের নৌবহরের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ল। শেষ
কয়েকটি রণতরী মরিয়া আক্রমণ চালালেও মুঘলদের শৃঙ্খলিত ব্যূহ ভেদ করতে পারল না। নদীর
ওপর স্বাধীন যশোহরের পতাকা একে একে নেমে গেল।
পিছু
হটতে বাধ্য হলেন রাজা প্রতাপাদিত্য। যাওয়ার আগে সবচাইতে বড়ো মুঘল রণপোতটিকে ডুবিয়ে
দিয়ে গেলেন তিনি। বার্তা দিয়ে গেলেন, তিনি আবার ফিরে আসবেন। ইতিহাসের প্রতাপরা
মুঘলদের ভয় কোনওকালেই পায়নি। তারা ফিরে এসেছে বারে বারে...
***
ষোড়শ শতাব্দীর
অন্তিম প্রহরে গৌড়ের সূর্য অস্তমিত হলে বাংলার নদী-খাল-বিল জুড়ে বারো ভূঁইয়াদের
চন্দ্রোদয় হয়। এদের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলার যশোহরে রাজা প্রতাপাদিত্যের প্রতাপ
সবচাইতে দ্রুত বৃদ্ধি পেল। তাঁর নৌবাহিনী দুর্ধর্ষ, দুর্গ সুদৃঢ়, আর প্রজারা তাঁর
জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত।
দিল্লির
সিংহাসনে তখন বৃদ্ধ আকবর। সারাজীবন তাঁর একটাই লক্ষ্য— সমগ্র হিন্দুস্তানকে এক
শাসনের অধীনে আনা। বাংলাও তার ব্যতিক্রম নয়। আকবরের প্রতিনিধি হয়ে বাংলায় এলেন মান
সিংহ, সুবাহদার ইসলাম খান।
প্রথমদিকে
প্রতাপাদিত্য কূটনীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন। কখনও মুঘলদের প্রতি আনুগত্যের ইঙ্গিত দেন,
কখনও আবার স্বাধীন আচরণ করেন। সবমিলিয়ে ভারসাম্য বজায় রেখে চলার চেষ্টা করেছিলেন।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনস্থ সামন্ত হয়ে
থাকা তাঁর উদ্দেশ্য নয়।
আকবরের
জীবনের শেষদিকে এবং বিশেষত তাঁর মৃত্যুর (১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ) পর বাংলায় মুঘল শক্তি
আরও সুসংগঠিত হয়। সম্রাট জাহাঙ্গীরের আদেশে সুবাহদার ইসলাম খান বাংলার স্বাধীন
ভূঁইয়াদের একে একে দমন করতে শুরু করেন। প্রতাপাদিত্য বুঝলেন, আপসের পথ প্রায়
রুদ্ধ। সংঘর্ষের চূড়ান্ত অধ্যায় শুরু হয়। বঙ্গের জলপথগুলি অশান্ত হয়ে ওঠে দুই
পক্ষের তীব্র সংগ্রামে। একাধিক যুদ্ধও সংঘটিত হয়েছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও সুবিশাল
মুঘল বাহিনী টানা চার বছর রাজা প্রতাপকে পরাস্ত করতে পারেনি।
***
রায়মঙ্গলের পর
আবার তারা মিলিত হল যমুনা-কালিন্দীর পাড়ে। এইবার প্রতাপাদিত্য আক্রমণের ধারা
বদলান। যশোহরের দক্ষিণ জলপথটিতে মুঘল নৌবহরকে বাধা দেওয়ার জন্য তাঁর বাহিনী
আকস্মিক আক্রমণ শুরু করল। নদীর স্রোত ও খাঁড়িকে কাজে লাগিয়ে গেরিলা কৌশল ব্যবহার
করলেন তিনি; যদিও মুঘলদের সংখ্যাগত ও সামরিক শক্তির কাছে তা স্থায়ী সাফল্য আনতে
পারেনি। কিন্তু ক্রমাগত আক্রমণে তারা ব্যতিব্যস্ত এবং বিরক্ত হয়ে পড়ছিল।
তার
উপর সুদীর্ঘকাল ধরে বাংলার বুকে চলা তাদের এই ব্যয়বহুল সামরিক অভিযান ক্রমশ
ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে নিয়ে চলছিল। তাই একটি চরম সংঘাতের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল।
অন্যদিকে রাজা প্রতাপাদিত্যের পাশ থেকে বাকি বারো ভূঁইয়ারা সরতে শুরু করেছিলেন।
বিশ্বাসঘাতকতার চেনা ছবিটি উঠে আসছিল বারে বারে।
তাই
ধূমঘাটের প্রান্তরে মুঘল সেনাপতি ইসলাম খানের নেতৃত্বে একই সঙ্গে স্থলপথ এবং নৌপথে
মুখোমুখি হয়েছিল দুই বাহিনী।
***
শ্রাবণের শেষ ভাগ।
দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আজ অদ্ভুত বিষণ্ণতার চাদরে ঢাকা। নদী, খাঁড়ি, কেওড়া-গরানবন আর
অসংখ্য জলপথে বিভক্ত সেই ভূখণ্ডে দিনের আলোও সন্ধ্যার মতো ম্লান হয়ে আসে। কিন্তু
আজ যেন আঁধার।
ধূমঘাট
এই জলাভূমিরই এক অদ্ভুত সৃষ্টি— অর্ধেক দুর্গ, অর্ধেক নদী। চারদিকে জল, মাঝখানে
মাটির উঁচু দুর্ভেদ্য প্রাচীর, তার উপর শত শত অগ্নিস্রাব কামানের মুখ। যে-মানুষ এই
ভূমির সন্তান নয়, তার পক্ষে এই গোলকধাঁধার মধ্যে পথ খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব।
এখানেই
রাজা প্রতাপ শেষ সংঘাতের জন্য তৈরি হচ্ছেন। কিন্তু তাঁর মনোবল অনেকখানি ভেঙে গেছে।
যে-যুদ্ধেই যান, তিনি বরাবরের মতো জানেন তাঁর হয়ে অসি ধরেন স্বয়ং যশোরেশ্বরী।
গতকাল মা এমন কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা কেবলমাত্র একজন ছেলেই অনুভব করতে পারে।
বৃষস্কন্ধ পুরুষটা, যাকে দেখে যমও ডরায়, সেই বঙ্গেশ্বর প্রতাপাদিত্য মায়ের পায়ে
পড়ে হাউ হাউ করে কেঁদেছেন।
***
ইতিহাসের পাতায়
এটাই রাজা প্রতাপাদিত্যের সবচাইতে বড়ো এবং শেষ সংঘর্ষ। ধূমঘাটে তাঁর পতনের পর
তাঁকে বন্দি করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। বলা হয় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়; কেউ বলেন
তিনি আত্মহত্যা করেন। তবে তাঁর মৃত্যু আজও ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। আমরা জানি বীরের
মৃত্যু হয় না। অতএব বাঙালি বীর প্রতাপাদিত্য চির অমর। যতদিন বাঙালি থাকবে, বাংলার
ইতিহাস থাকবে... বাংলার প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে রাজা প্রতাপের নাম সগৌরবে
উচ্চারিত হবে। বাংলার ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার’ তিনিই।
রেফারেন্স:
- বাহারিস্তান-ই-গায়েবি
- রিয়াজ-উস-সালাতিন
___________________________________________________________________________
প্রতিরোধে বীর ভারত-সন্তান ধারাবাহিকটির আগের পর্বগুলি পড়ুন:
প্রথম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post.html
দ্বিতীয় পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_13.html
তৃতীয় পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_20.html
চতুর্থ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html
পঞ্চম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/06/blog-post_24.html
ষষ্ঠ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post.html
সপ্তম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_12.html
অষ্টম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_19.html
নবম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html
দশম পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/07/blog-post_27.html
একাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_88.html
দ্বাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_15.html
ত্রয়োদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_24.html
চতুর্দশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/08/blog-post_30.html
পঞ্চদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post.html
ষোড়শ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_13.html
সপ্তদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/09/blog-post_20.html
অষ্টাদশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_11.html
ঊনবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/10/blog-post_25.html
বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post.html
একবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_8.html
দ্বাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_16.html
ত্রয়োবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_22.html
চতুর্বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/11/blog-post_29.html
পঞ্চবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post.html
ষট্বিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_14.html
সপ্তবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_22.html
অষ্টাবিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2025/12/blog-post_28.html
ঊনত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post.html
ত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/01/blog-post_17.html
একত্রিংশ পর্ব: https://blogs.antareep.in/2026/02/blog-post.html
